‘উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের অক্ষমতায় সম্পদের অপচয় হয়’

উন্নয়ন প্রকল্পে বাজেট বরাদ্দ বাড়লেও দুর্নীতি ও বাস্তবায়নের অক্ষমতার কারণে রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় হয়। দুই ক্ষেত্রেই জনগণের অর্থ নষ্ট এবং উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়।

বুধবার পিপিআরসি এবং ওয়াটারএইড আয়োজিত বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসব মন্তব্য করেন অর্থনীতিবিদ হোসেন জিল্লুর রহমান। 

প্রতি বছরই উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হয়। তবে, প্রকল্প পরিকল্পনার দুর্বলতা, প্রশাসনিক জটিলতা, টেন্ডার ও ক্রয়প্রক্রিয়ায় দেরি, দক্ষ জনবলের অভাব এবং দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণেপুরো অর্থ সময়মতো ব্যয় করা যায় না। ফলে উন্নয়ন প্রকল্পের সুফল পায় না জনগণ। 

তাই শুধু বরাদ্দ নয়, সঠিক ও সুষ্ঠু বাস্তবায়নও নিশ্চিত করা জরুরি। রাজধানীর ধানমণ্ডিতে বাজেট শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিপিআরসি'র নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান এ কথা বলেন। তিনি বলেন, দুর্নীতির মতোই বাস্তবায়ন ব্যর্থতাও সমান ক্ষতিকর। এতে জনগণের অর্থ অপচয় হয় ও উন্নয়ন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়। 

পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘এটা এক ধরনের পারফর্মেন্স ফেইলিওর। দুর্নীতির পাশাপাশি পারফর্মেন্স ফেইলিওরটাকে আমাদের ইকোয়ালি গুরুত্ব দিতে হবে। যেমন, আমি দুর্নীতি করলাম না,কিন্তু পারফর্মেন্স ফেইলিওরের কারণে প্রকল্পের মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়ল, ঘুরেফিরে সরকারের ওপর বোঝাটা কিন্তু একই।’

প্রতিবছর বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না, কোথায় ও কারা বিনিয়োগের পেছনে যুক্ত তাদেরকে নজরদারির আওতায় আনার তাগিদ তাদের। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন, দ্ক্ষ ব্যবস্থাপনা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পারলেই টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।