বৈরী আবহাওয়ার কারণে জলাবদ্ধ রাজধানীর বাজার। পণ্য সরবরাহ কম হলেও ক্রেতাদের উপস্থিতি না থাকায় রাজধানীর বাজারগুলোতে কমেছে সবজির দাম। অল্প দামে কেনা যাচ্ছে শাক। বড় কোনো পরিবর্তন নেই চালের বাজারে। কমেছে সোনালী মুরগির দাম।
শুক্রবার সকাল থেকেই রাজধানীজুড়ে টানা বৃষ্টি। বাজারে জলাবদ্ধতা ঠেলে ছাতা হাতে কাঁচাবাজারে এসেছেন ক্রেতারা। কারওয়ানবাজারে এক নারী ক্রেতা যেমনটা বলছিলেন, দেখেন কারওয়ানবাজারের অবস্থা কী! হাঁটু পানি। আমরা বাজার করতে পারছি না।
বৃষ্টির কারণে বাজারে ক্রেতা কম থাকায় কমেছে সবজির দাম। বাজারে প্রতি হালি কাঁচাকলা বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায়। বেগুনের দাম মানভেদে প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা। পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি দরে। কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে আলুর দাম হয়েছে ২৫ টাকা। একটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়।
এক বিক্রেতা বলেন, দেখেন না বাজারের অবস্থা কি? কাস্টমার আসে না। বৃষ্টিতে মাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
একজন ক্রেতা বলেন, তরকারির দাম অন্যদিনের তুলনায় আজ একটু কম। ঢেড়শ ৪০ টাকা করে কিনলাম। পটল ৩০ টাকা করে।
তবে শাকের বাজারে মিলেছে কিছুটা স্বস্তি। বর্ষাকালে সরবরাহ বাড়ায় লালশাক প্রতি আঁটি ১০ টাকা । ৩০ টাকায় পুঁইশাক এবং কলমি শাক ১৫ টাক আঁটি।
এক ক্রেতা বলেন, এখানে হাঁটু সমান পানি। এর ভেতরে বাজার (পণ্য) কম আসছে। আজকে বেশি বাজার ওঠেনাই।
বড় কোনো পরিবর্তন নেই চালের বাজারে। মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা কেজিতে। মিনিকেট প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৭৫ টাকা, , নাজিরশাইল ৮০-৮২ টাকা।
এক চাল বিক্রেতা বলেন, আজকে ব্রি–২৮ চাল ৫৪ থেকে ৫৫ টাকা কেজি আর মিনেকেট ৭০ থেকে ৭৫ টাকা কেজি চলে। নাজিরশাইল মানভেদে ৮০-৮২ টাকা চলছে।
মিশ্র চিত্র মুরগির বাজারে। সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ৩০ টাকা কমে ৩২০ টাকায় নেমেছে। তবে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।