এলএনজি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় দেশের গ্যাসনির্ভর কারখানাগুলোর উৎপাদন মারাত্মক ব্যাহত হচ্ছে। এরই মধ্যে এসব কারখানার উৎপাদন নেমে এসেছে ২৫ থেকে ৩০ ভাগে। সংকটের দ্রুত সমাধান না হলে রপ্তানীমুখী কারখানার কার্যাদেশ বাতিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
গাজীপুরে ৫ হাজারের বেশি কলকারখানা রয়েছে। যার বেশিরভাগই গ্যাসনির্ভর। সম্প্রতি প্রয়োজনের তুলনায় গড়ে এক লাখ ৪ হাজার ঘনফুট গ্যাস কম সরবরাহ হচ্ছে বলে জানিয়েছে তিতাস কর্তৃপক্ষ। এতে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় দিনের বেশিরভাগ সময় বন্ধ থাকছে গ্যাসভিত্তিক কারখানা। উৎপাদন নেমে এসেছে ৩০ ভাগে।
একই অবস্থা নারায়ণগঞ্জেও। গত দুদিনে শিল্পকারখানার উৎপাদন পাঁচ ভাগের এক ভাগে নেমে এসেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সংকটের গভীরতা সম্পর্কে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে জানানো হয়েছে।
বিকেএমইএ এর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘ঊধর্বতন কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে।’
সাভারের ডিইপিজেড-এর গ্যাসনির্ভর শিল্পকারখানাগুলোতেও ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক উৎপাদন। ওদিকে বাসাবাড়িতেও গ্যাসের অভাবে ভোগান্তিতে স্থানীয়রা।
প্রতিদিন জাতীয় গ্রিড থেকে ২৪৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যায় চট্টগ্রামে। তবে বুধবার থেকে ২৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কম সরবরাহ করা হচ্ছে। কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি জানিয়েছে, বাসাবাড়ি ও পাম্পগুলোতে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে শিল্প কারখানায় গ্যাসের চাপ কিছুটা কমানো হয়েছে।