জুনে মূল্যস্ফীতি কমে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশে নামলেও দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপ অব্যাহত রয়েছে। মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির- (এমসিসিআই) ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। তবে সামগ্রিকভাবে এপ্রিল থেকে জুন– এই ৩ মাসে অর্থনীতির পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে মনে করছে এমসিসিআই।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবৃদ্ধি নেমেছে ৪ দশমিক ৪৭ শতাংশে। একই সময়ে ২০২৫ সালের জুন থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ।
এমসিসিআই মনে করছে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বেসরকারি বিনিয়োগ ও ঋণ প্রবাহ বাড়ানো, রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি ফেরানো, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা কাটানো এখন দেশের অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
অন্যদিকে বৈদেশিক খাত অর্থনীতির জন্য বড় স্বস্তির জায়গা হয়ে উঠেছে। এপ্রিল-জুন সময়ে দেশে ৯ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন বা ৯৩৮ কোটি ডলার প্রবাসী আয় এসেছে। জুন শেষে মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলারে, মে শেষে যা ছিল ৩৪ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার। তবে রপ্তানি খাতে সেই স্বস্তির প্রতিফলন দেখা যায়নি।