ভারতের বাড়তি শুল্কে চাপে পাটশিল্প

বাংলাদেশের পাটপণ্য আমদানিতে ভারতের একের পর এক শুল্ক আরোপে বিপাকে পড়েছে এ শিল্প। দেশের পাট খাতকে ধ্বংস করতে প্রতিবেশি দেশটি অন্যায্য সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বলে অভিযোগ উদ্যোক্তাদের। প্রতিকার চেয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নালিশের পরামর্শ তাদের। এ বিষয়ে কার্যকর আলোচনার আশ্বাস বাণিজ্যমন্ত্রীর।  

সম্প্রতি বাংলাদেশের পাটপণ্য আমদানিতে নতুন করে প্রতি টনে ১৪০ ডলার পর্যন্ত ভর্তুকিবিরোধী শুল্ক আরোপের সুপারিশ করেছে ভারত। এর আগে গত সোমবার বাংলাদেশি পাটপণ্যে সর্বোচ্চ ৪৪৫ ডলার অ্যান্টি–ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করে দেশটি। এতে বাংলাদেশ থেকে পাটের সুতা, কাপড়, ব্যাগ আমদানির ক্ষেত্রে ৫৮৫ ডলার শুল্ক দিতে হবে ভারতের আমদানিকারকদের। 

বহুমুখী পাট পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি রাশেদুল করীম মুন্না বলেন, ‘বাংলাদেশের পাটপণ্যের ওপর ভারতের অ্যান্টি–ডাম্পিং শুল্ক ২০১৭ সাল থেকে কার্যকর রয়েছে। নতুন করে আবার শুল্ক চাপিয়ে দেয়া অযৌক্তিক। বাংলাদেশের পাট খাতকে ধ্বংস করতে এটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।’ 

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘বাড়তি শুল্ক প্রত্যাহারে লিখিতভাবে ভারতকে জানালেও কোনো প্রতিকার হয়নি। তবে বিষয়টি সমাধানে সরকার আন্তরিক।’

ভারতে কাঁচা পাট রপ্তানিতে অ্যান্টি–ডাম্পিং শুল্ক নেই, আছে শুধু পাট পণ্যের ক্ষেত্রে। সবশেষ অর্থবছরে ভারতে পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছিল ৮০ হাজার টন।