উত্তরাঞ্চলে শুটকির অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য কেন্দ্র নীলফামারীর সৈয়দপুরে। যেখানে বছরে প্রায় ১২০ কোটি টাকার শুটকির বেচাকেনা হয়। শুধু দেশেই নয়, এখানকার শুটকি রপ্তানি হয় ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মণিপুরেও। ১৩টি আড়ত ও ৭০টি খুচরা প্রতিষ্ঠান থাকলেও নেই আধুনিক হিমাগার। ব্যবসায়ীদের এই সংকট দ্রুত সমাধানের আশ্বাস প্রশাসনের।
উত্তরবঙ্গের সর্ববৃহৎ শুটকি বাজার নীলফামারীর সৈয়দপুরের এই বাজারটি। চার দশক আগে সৈয়দপুর বাস টার্মিনাল এলাকায় ১৯৮৩ সালে মাত্র দুটি আড়ত ও কয়েকটি খুচরা দোকান নিয়ে যাত্রা শুরু হয় এই শুটকি পল্লির। চার দশকের ব্যবধানে এটি পরিণত হয়েছে উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে বড় শুটকি বাজারে।
মানসম্মত শুটকি ও তুলনামূলক কম দামের কারণে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ক্রেতারা ছুটে আসেন এই সৈয়দপুরে। বাজার ঘিরে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জীবিকা নির্বাহ করছেন হাজারো শ্রমিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। তবে আধুনিক সংরক্ষণ ব্যবস্থার অভাবে সম্ভাবনার পুরোটা কাজে লাগানো যাচ্ছে না।
নীলফামারী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বরুন কুমার মন্ডল বলেন, ‘আধুনিক হিমাগার এবং পণ্য পরিষেবার সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে কয়েকগুণ বাড়তে পারে বাণিজ্যের পরিধি।’
নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, ‘গুরুত্ব বিবেচনায় আধুনিক হিমাগার নির্মাণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
শুটকির এই বিশাল বাণিজ্য কেন্দ্রে বর্তমানে ১৩টি আড়ত ও ৭০টি খুচরা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এখান থেকে বছরে প্রায় ১২০ কোটি টাকার শুটকি দেশেই নয়, ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মণিপুরেও রপ্তানি করা হয়।