এলডিসি উত্তরণের সময় বাড়ানোই যথেষ্ট নয়, বরং এই সময়কে কাজে লাগিয়ে অর্থনীতির কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করতে হবে। রোববার গবেষণা সংস্থা সিপিডি আয়োজিত মিডিয়া সংলাপে বলা হয়, এলডিসি উত্তরণে প্রয়োজন রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা। অন্যথায় সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা এবং বিনিয়োগ ও প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা কঠিন হবে বলে মনে করছে সিপিডি।
এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিতে হাতে থাকা আগামী তিন বছর বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ের মধ্যেই নিতে হবে উত্তরণ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতি।
সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং এলডিসি তালিকা থেকে উত্তরণে জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত সরকারকে স্বচ্ছতার সঙ্গে সমন্বিতভাবে কার্যকরের তাগিদ সিপিডির।
সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘উত্তরণের তিন বছরের মধ্যে সরকারকে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে হবে। শুধু সরকারি বার্তা নয়, আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে সংসদে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তুলতে হবে।’
এদিকে, এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সফল করতে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি ও কর্মসংস্থান বাড়াতে কার্যকর সংস্কারের বিকল্প নেই বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
অর্থনীতিবিদদের মতে, আগামী তিন বছর কেবল এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতির সময় নয়, বরং অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা গড়ে তোলারও সুযোগ রয়েছে।