প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এলাকা খুলনার কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়ন। ইউনিয়নের অধিকাংশ বাসিন্দা সুপেয় পানির জন্য বৃষ্টির পানির ওপর নির্ভর করে থাকে। তবে পর্যাপ্ত জলাধার না থাকায় বছরব্যাপী সুপেয় পানি সংরক্ষণ করা সম্ভব হয় না। এই এলাকার পশ্চিম চরামুখা হাফিজিয়া মাদরাসার ত্রিশ শিক্ষার্থীর জন্য এবার নিরাপদ পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেছে জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) বরিশাল এবং ঢাকা সাউথ।
সংগঠনটি ঢাকা থেকে প্রায় ৩২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থাপন করেছে এক হাজার লিটার ধারণক্ষমতার একটি পানির ট্যাংক। ফলে শিক্ষার্থীরা এখন থেকে সুপেয় পানি সংরক্ষণ করতে পারবে সহজেই।
এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সংকটময় পরিস্থিতিতে জেসিআই বরিশাল ও জেসিআই ঢাকা সাউথ ‘স্বচ্ছ পানি, নিরাপদ জীবন’ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে সুপেয় পানির সংকট লাঘবে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য এক হাজার লিটার ধারণক্ষমতা সম্পন্ন পানির ট্যাংক স্থাপন করেছে। এই পানির ট্যাংকটি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর পানি সরবরাহ নিশ্চিত করবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে ইনিশিয়েটিভ ফর কোস্টাল ডেভেলপমেন্ট (আইসিডি)।
মাদরাসার শিক্ষার্থী শাহিনুর রহমান বলেন, ‘আমরা এই জলাধারটি পেয়ে ৬ মাস সুপেয় পানির নিশ্চয়তা পেয়েছি। এই মাদ্রাসায় বৃষ্টির পানির কোনো জলাধার না থাকায় সুপেয় পানির খুব কষ্ট হচ্ছিল, আজ থেকে সেই কষ্ট অনেকটা লাঘব হলো।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেসিআই বরিশালের স্থানীয় সভাপতি ড. জামিল খান, জেসিআই ঢাকা সাউথের স্থানীয় সভাপতি জাহিদ মারুফ, জেসিআই ঢাকা সাউথের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাকিব বিল্লাহ, জেসিআই বরিশালের ডিরেক্টর আসাদ ইকবাল, পশ্চিম চরামুখা হাফিজিয়া মাদরাসার সভাপতি জি. এম. গোলাম মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান গাজী, মাওলানা আলমগীর হোসাইন, আইসিডির সদস্য আশিকুজ্জামান, মনিরুল ইসলাম, রাসেল আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, ইয়াকুব আলী প্রমুখ।