কক্সবাজারে বে হিলস হোটেলের আতিথেয়তায় মুগ্ধ দীঘি

কক্সবাজারের হিমছড়ির মনোরম পাহাড় ও সাগরের মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা চার তারকা হোটেল ‘বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস বে হিলসে’ থেকে মুগ্ধতার কথা জানিয়েছেন অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দিঘী। সম্প্রতি গোল্ডস্যান্ডস গ্রুপের এই হোটেলে যান অভিনেত্রী। অবস্থানকালে হোটেলের পরিবেশ, আতিথেয়তা, সেবার মান ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতার প্রশংসা করেন তিনি।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দিঘী বলেন, ‘কক্সবাজার নিজেই একটা ব্র্যান্ড। কক্সবাজার নামটাই ব্র্যান্ড এবং আমরা যখন বিভিন্ন দেশে যাই, তখন কিন্তু আমরা কক্সবাজারের নামটাই বলি। সো, আমার মনে হয় না যে ব্র্যান্ডিংয়ের জন্য আর কিছুর প্রয়োজন।’
 
দিঘী আরও বলেন, ‘প্রয়োজনের থেকেও বেশি আমাদের এখানে অনেক কিছু আছে। আমার একটা অন্যতম প্রিয় জায়গা হচ্ছে কক্সবাজার। ছোটবেলায় যখন আমি কাজ করতাম, তখন প্রায় ১২ থেকে ১৪ বার আমার কক্সবাজার আসা হয়েছে শুটিংয়ের জন্য। এরকমও হয়েছে এক মাসে একাধিকবারও আসা হয়েছে। আমি আমার মা, আমাদের অনেক স্মৃতি আছে এখানে।’
 
বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস বে হিলস সম্পর্কে দিঘী বলেন, ‘আমি এবার আছি বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস বে হিলস হোটেলে। এবার প্ল্যানিং ছিল এখানেই আসার, কারণ যেহেতু এটা গোল্ডস্যান্ডস গ্রুপের। আর গোল্ডস্যান্ডস গ্রুপের সাথে আমার অনেক আগে থেকেই অনেক ভালো পরিচয়। তো এই জায়গা থেকে আমি খুব সম্প্রতি তাদের অফিসের একটা মিটিংয়ে গিয়েছিলাম। ওই মিটিং থেকে আমি জানতে পারলাম যে এই এখানের হোটেলটা তারা পুরোটাই হচ্ছে তাদের নিজস্ব। আমি এবার প্ল্যান করেছিলাম যে হলিডে একটা প্ল্যান করে এখানে আসব। এবং হলিডের পাশাপাশি আমি খুব সুন্দর সুন্দর ছোট ছোট কনটেন্টও করেছি এখানে। আপনারা সামনে আমার ফেসবুক পেজে, গোল্ডস্যান্ডসের ফেসবুক পেজে, বে হিলসের ফেসবুক পেজে দেখতে পারবেন এগুলো।’

দিঘী আরও বলেন, ‘খাওয়ার ব্যাপারে যদি বলি, কক্সবাজারের ফেমাস খাবার হচ্ছে শুঁটকি। সি-ফুড আমার অনেক প্রিয়। এখানে আসলে আমি একদম অথেন্টিক সি-ফুডটা পাই, ফ্রেশ সি-ফুড পাই। আমার মনে হয় যে মাত্র নিয়ে এসে সি-ফুডটা আমাকে দিল। বে হিলসের খাবার খুব মজা। আমি এখানেই মানে বাইরে থেকে আমি প্রেফার করি যে এখানে যেহেতু অনেক হাইজিন এবং অনেক মজার খাবার, সো আমি একেক দিন একেক মেন্যু ট্রাই করছি। আমরা যারা পাবলিক ফিগার যখন কোথাও ঘুরতে যাই, তখন আমাদের খুব একটা জিনিসে আমাদের টেনশন থাকে যে আমরা যেকোনো পর্যটক এলাকায় যখন যাচ্ছি, ভিড় হয়ে যাবে মানুষ আসলে,  মনে হয় ওভাবে চলাফেরা করতে পারব না, ঘুরতে পারব না। তখন আমরা কিন্তু দেখা যায় বিচে কম যাই। আমি যতবার এসেছি, আমি কিন্তু আসলে বিচে কোনোবারই যাইনি। অনেকদিন পর এবার বিচে গিয়েছি। আমি যদি বিচে যাই, এরকমভাবে যাই যে একদম আর্লি মর্নিং ৫টা-৬টার দিকে জাস্ট বিচে একটু ১০ মিনিটের জন্য ঘুরে আবার চলে আসি যাতে ভিড়টা না হয়ে যায়। আমার কাছে সবচেয়ে প্রেফারেবল হচ্ছে যে একদম সমুদ্রের পাশের হোটেল। কারণ, আমি আমার বারান্দা দিয়ে বিচ দেখতে পছন্দ করি। আমার কাছে এটিই একটা শান্তি লাগে। সো, আমার মনে হয় দিস ইজ ওয়ান অব দ্য বেস্ট হোটেল ওইটার জন্য।’

এখানে হসপিটালিটিটা চমৎকার বলে জানান দিঘী। তিনি বলেন, ‘আমি পার্সোনাল এক্সপেরিয়েন্স থেকে বলব যে যখন ফোন দিয়েছি রুম সার্ভিস, তখনই এসেছে। তখনই আমার জিনিসটা পেয়ে গেছি এবং তারা যে টাইম লিমিটটা দেয় যে সাপোজ একটা খাবার আসতে ২০ মিনিট, তারা চেষ্টা করে ২০ মিনিটের আগেই দেওয়ার। সো, এই যে সিনসিয়ারিটি অ্যান্ড এই যে কেয়ারফুল কিংবা এই যে কেয়ারটা, এই যে আদর-ভালোবাসাটা কিংবা এই যে তাদের পক্ষ থেকে যে জিনিসটা আসছে আমাদের কাছে, এটা আমার খুব ভালো লেগেছে। তাদের তো আরও অনেকগুলো হোটেল হচ্ছে, গোল্ডস্যান্ডস গ্রুপের আরও অনেকগুলো হোটেল হচ্ছে। সো, যেহেতু এবার এসে আমার খুব ভালো লেগেছে।  আমি জাস্ট ওয়েট করছি বাকি দুইটা কবে হবে, আমি বাকি দুইটাতেও এসে এরকম হলিডে করতে আসবো।’