কক্সবাজারের মহেশখালীতে সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে সীমিত পরিসরে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। নতুন একটি এলএনজি জাহাজ টার্মিনালে পৌঁছানোর পর শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মিলছে। আগামীকাল শনিবার দুপুর ২টা থেকে ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।
১৫ আগস্ট রাত ২টা থেকে স্বাভাবিক হারে গ্যাস সরবরাহ শুরু হওয়ার কথাও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, আজ বিকেল ৩টার দিকে নতুন জাহাজটি সামিট এলএনজি টার্মিনালে পৌঁছায়। সন্ধ্যা ৭টা থেকে জাহাজটি থেকে সামিটের পাইপলাইনে গ্যাস নেওয়া শুরু হয়।
গত ১৩ আগস্ট বিকেল ৩টা থেকে সামিটের ভাসমান টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।
অন্যদিকে, মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত এমএলএনজি টার্মিনাল থেকে বর্তমানে দৈনিক প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ২১ জুলাই টার্মিনালের বয়লারে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। পরে আংশিক মেরামত শেষে ৬ আগস্ট থেকে দৈনিক গড়ে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরতে আরও কিছু সময় লাগবে।
স্বাভাবিক সময়ে মহেশখালীর সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জির দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গড়ে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়।
দুটি টার্মিনাল থেকেই সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় জাতীয় পর্যায়ে গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়ছে দেশের বিভিন্ন এলাকার শিল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও অন্যান্য খাতে গ্যাস সরবরাহে।



