সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে সূচক বেড়েছে ঢাকার শেয়ারবাজারে। প্রধান সূচক বেড়েছে ২১ পয়েন্টের বেশি। সূচক বাড়লেও আগের দিনে চেয়ে ৭০ কোটির বেশি কমেছে লেনদেন। এসময় দর বেড়েছে বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ার। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সার্বিক সূচক বেড়েছে ২০ দশমিক ছয়-তিন পয়েন্ট।
বৃহস্পতিবার দিনের শুরুতে কিছুটা ইতিবাচক ছিল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ। প্রথম ১০ মিনিটে প্রধান সূচক বাড়ে ১৭ পয়েন্ট। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় সূচকের উত্থান পতন। দিনশেষে ডিএসইএক্স সূচক ২১ দশমিক নয়-আট পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৯৬৩ পয়েন্টে।
সূচকের বাড়লেও ডিএসইতে কমেছে লেনদেন। বৃহস্পতিবার ৪৬৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। যা আগের দিনের চেয়ে ৭০ কোটি ১৪ লাখ টাকা কম।
হাতবদলে অংশ নেওয়া ৩৯২টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ২৬২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের। কমেছে ৬৪টির এবং শেয়ার দর অপরিবর্তিত ৬৬টি প্রতিষ্ঠানের।
সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের তালিকায় প্রথম সিমটেক্স, ওরিয়ন ইনফিউশন দ্বিতীয়, তৃতীয় অবস্থানে মুন্নু ফেব্রিক্স।
শতাংশের দিক থেকে দর বৃদ্ধির তালিকায় প্রথম ইয়াকিন পলিমার, ভিএফএস থ্রেড দ্বিতীয়, তৃতীয় দেশবন্ধু পলিমার।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক ২০ দশমিক ছয় তিন পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৩ হাজার ৮৭১ পয়েন্টে। লেনদেন হয়েছে ১৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ার।