বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন - বিইআরসি'র আইনের কাঠামোগত সংস্কারের দাবি জানিয়েছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ- ক্যাব। রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধনে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে লুটপাট বন্ধে ১০ দফা দাবি তুলে ধরে সংগঠনটি।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের সামনে ক্যাব আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত কোনো মুনাফার ক্ষেত্র নয়, এটি জনগণের মৌলিক অধিকার। নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের বেঞ্চমার্ক মূল্যহার গণশুনানির ভিত্তিতে নির্ধারণ এবং ক্যাবের প্রস্তাব অনুযায়ী মূল্য পরিবর্তনের সুযোগ দেওয়ারও জোর দাবি জানান তারা।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, অতিরিক্ত সক্ষমতা ও অযৌক্তিক ব্যয় বন্ধ না করে বার বার মূল্যহার বাড়ানো, সাধারণ মানুষের ওপর অন্যায় বোঝা চাপানোর সামিল। সরকারি-বেসরকারি খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের পাশাপাশি জ্বালানি অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা। তারা বলেন, মূল্যবৃদ্ধি নয়, অপচয় ও দুর্নীতি বন্ধ করেই কমাতে হবে বিদ্যুৎ-জ্বালানির ব্যয়।
জ্বালানি খাতে দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে সিপিবি'র সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, আমদানি-নির্ভর এলএনজি'র পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এই উলটো পথে হাঁটার অর্থ হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে দাম বাড়ে জনগণের পকেট কাটে। এখন দাম বাড়ানোর জন্য ওরা নতুন নতুন তরিকা নিয়েছে। তার একটা হলো, এই বিইআরসি গণশুনানি করে। আমাদের প্রথম দিন থেকে দাবি ছিল, এই বিইআরসি-কে সংস্কার করতে হবে।



