সম্প্রতি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)-এর নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। কমিশনের অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী দাবি করছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দ্রুততম সময়ে নিয়োগের উদ্দেশ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা হচ্ছে না। বিষয়টি অস্বাভাবিক ও ইউজিসি’র ইতিহাসে নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করেছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইউজিসি’র একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তার মতে, ২০২৫ সালের ১১ আগস্ট ইউজিসি ৩৮টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করে, যেখানে সহকারী সচিব, একাউন্টস অফিসারসহ বিভিন্ন পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতায় কঠোর শর্তারোপ করে হয়েছিল।
পরবর্তীতে যোগ্যতার এই মানদণ্ড নিয়ে আবেদনকারীদের অনেকের মধ্যে প্রশ্ন ও অসন্তুষ্টি দেখা দেয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন পদে নিয়োগের যোগ্যতা (কোয়ালিফিকেশন) কিছুটা শিথিল করা হলেও নিয়োগের গতি ও পদ্ধতি নিয়ে এখনও উদ্বেগ রয়েছে।
বিশেষ করে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা একই সময়সীমার মধ্যে দ্রুততার সাথে শেষ করে নিয়োগ দেওয়ায় অনেকেই এতে পক্ষপাতিত্ব ও পূর্ব-পরিকল্পিত নিয়োগের অভিযোগ তুলেছেন। পাশাপাশি বিদ্যমান কর্মীদের অভ্যন্তরীণ পদোন্নতির সুযোগ কমে যাবে বলেও উদ্বেগ বাড়ছে কর্মীদের মাঝে। এই সকল বিষয় নিয়ে স্বাধীন তদন্তের দাবিও তুলেছেন কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।