সিরাজগঞ্জ ও নাটোরে প্রায় দেড় হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক

সিরাজগঞ্জের ১ হাজার ৫৬টি এবং নাটোরের ৪২৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক। এর ফলে বিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত দায়িত্বের চাপ পড়ছে। এতে পাঠদান ও শিক্ষার পরিবেশও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করেন শিক্ষকরা। দ্রুত প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদে নিয়োগের দাবি শিক্ষক ও অভিভাবকদের। 

সিরাজগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে মোট ১ হাজার ৬৭২টি। এর মধ্যে ১ হাজার ৫৬টি বিদ্যালয়েই নেই প্রধান শিক্ষক। দীর্ঘদিন ধরে সহকারী শিক্ষকরাই পালন করছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব।

উল্লাপাড়া উপজেলাতেই প্রধান শিক্ষকের কমতি সবচেয়ে বেশি। এখানে ১৬৮ বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক। এছাড়া কাজিপুর উপজেলার ১৫৯টি, শাহজাদপুর উপজেলার ১৫৫টি, সিরাজগঞ্জ সদরের ১৪০টি, রায়গঞ্জের ১১৩টি, বেলকুচির ১০৩টি, তাড়াশের ৯৭টি, চৌহালির ৯০টি ও কামারখন্দের ৩১টি বিদ্যালয়ে নেই স্থায়ী প্রধান শিক্ষক। বাড়তি পরিশ্রম করে হতাশ শিক্ষকরা।

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. সাহাব উদ্দিন বলেন, ‘শিক্ষক সংকটে পাঠদান ব্যহত হচ্ছে। দ্রুত শূন্যপদে নিয়োগ এবং পদন্নতি দিয়ে এই সমস্যার সমাধান করা হবে।’

এদিকে নাটোরের ৭৩৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৪২৯টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য। এতে ভোগান্তি চরমে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।

নাটোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল হান্নান বলেন, ‘জরুরি ভিত্তিতে শূন্য পদ পূরণ করা হবে।’

শিক্ষক সংকটে পাঠদান ব্যাহত হওয়ায় সিরাজগঞ্জ ও নাটোরের শিশুরা লেখাপড়ায় পিছিয়ে পড়ছে বলে শংকা অভিভাবকদের।