শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, লটারিভিত্তিক ভর্তি পদ্ধতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ‘লটারি জানে না কে গরিবের সন্তান, কে ধনীর; কে মেধাবী, কে নয়। কিন্তু পরীক্ষার মাধ্যমে তা নির্ধারণ করা সম্ভব,’—বলেন তিনি।
সোমবার দুপুরে যশোর শিক্ষা বোর্ড এবং খুলনা বিভাগের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ মন্তব্য করেন। যশোর পিটিআই অডিটোরিয়ামে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী শিক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত ডিজিটালাইজড হচ্ছে, কিন্তু বাংলাদেশ এখনো অনেকাংশে পিছিয়ে রয়েছে। তাই ধীরে ধীরে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, জ্বালানি সংকটকে একটি সুযোগ হিসেবে কাজে লাগিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় ডিজিটাল রূপান্তর জোরদার করতে হবে। যাতে গ্রামের শিক্ষার্থীরাও শহরের শিক্ষার্থীদের মতো সমানভাবে পড়াশোনা ও জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পায়।
এর আগে মতবিনিময় সভায় আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু, নকলমুক্ত ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন শিক্ষামন্ত্রী। একই সঙ্গে প্রশ্নফাঁস রোধে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করার তাগিদ দেন তিনি।
এ সময় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ স্থানীয় সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


