কোচিং নির্ভরতায় এইচএসসিতে ফল বিপর্যয়, শিক্ষার্থীদের ক্লাসমুখী করার তাগিদ

৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে এবার এইচএসসিতে সবচেয়ে কম পাসের হার বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে মাত্র ৩টি কলেজে।

এছাড়া ‎গত ৪ বছরের মধ্যে যশোর শিক্ষা বোর্ডে এবার ফলে সবচেয়ে বড় ধস। গড় পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ। ভবিষ্যতে এ ধরনের বিপর্যয় এড়াতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসমুখী করার তাগিদ শিক্ষাবিদদের।

এইচএসএসসির ফলাফলে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাশের হার ও জিপিএ ফাইভের সংখ্যা কমেছে। ইংরেজি বিষয়ে ফল সবচেয়ে খারাপ হয়েছে। বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ১১টি কলেজে কেউ পাস করেনি।

বোর্ড কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের দাবি, নিয়মিত ক্লাসে না আসা, কোচিং নির্ভর হয়ে যাওয়ায় ফলাফল খারাপ হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসমুখী করতে পারলে আগামীতে ভালো ফলের আশা তাদের।

অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. মাহবুবুল হক বলেন, আমরা ক্লাসমুখী করাতে পারছি না। শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ার প্রতি ততটা আগ্রহ দেখাচ্ছে না। এসব কারণেই শিক্ষার মান খারাপ হচ্ছে। 

বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শরীফ মোর্শেদ রেজা বলেন, ক্লাসরুমের প্রতি আস্থা, সঠিকভাবে শিক্ষার্থীদের ক্লাসরুমে যেতে হবে। পরীক্ষা জীবনেরই অংশ। 

গত ৪ বছরের মধ্যে যশোর শিক্ষা বোর্ডে এবার সবচেয়ে বেশী ফল বিপর্যয় হয়েছে। ১৬টি কলেজের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। শতভাগ পাস করেছে মাত্র ৩টি প্রতিষ্ঠানে।

কুড়িগ্রাম জেলার ৯টি কলেজে সবাই ফেল করেছে। কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে শতভাগ পাশ করেছে মাত্র ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

(প্রতিবেদনের তথ্য পাঠিয়েছেন সংশ্লিষ্ট জেলার প্রতিনিধিরা)