শাকিব প্রসঙ্গ এড়িয়ে যেতে চেয়েও বললেন, ‘তিনি সুপারস্টার’

সিনেমাটির কাজ করতে আপাতত ওপার বাংলায় আছেন অপূর্ব। নিজের ক্যারিয়ার ও ছবিটি নিয়ে কথা বলেছেন সেখানকার এক পত্রিকায়। আর সেটা বলতে গিয়েই চলে এসেছে শাকিব খানের বিষয়টিও।

সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের করা প্রশ্নটা ছিল এমন—বাংলাদেশে বড় পর্দার হিরো বলতে কি শুধুই শাকিব খান? অপূর্বর প্রত্যুত্তর, ‘‘এগুলো নিয়ে কথা বলতে চাই না। পরবর্তী প্রশ্নতে চলে যাওয়াই সমীচীন। (একটু থমকে...) আমি শুধু বলতে পারি তিনি, ‘সুপারস্টার’।’’

ব্যাখ্যাটা করলেন এভাবে, ‘‘এত বছর ধরে একটা ইন্ডাস্ট্রিকে ধরে রাখতে দম লাগে। সেই সম্মান তাঁর প্রাপ্য। কেউ কারও থেকে কম বা বেশি নয়। সবার জীবনে উত্থান-পতন থাকে। আজ যে ‘সুপারস্টার’, ভবিষ্যতে অন্য কেউ সেই জায়গা নেবে।’’

কলকাতার লুকে অপূর্ব। ছবি: সংগৃহীতঅন্যদিকে গত ঈদে ‘সুড়ঙ্গ’ নিয়ে কলকাতায় গিয়েছিলেন আফরান নিশো। তার বেশ কিছু মন্তব্য সমালোচিত হয়। অপূর্বর কাছে নিশো প্রসঙ্গে করা হয় প্রশ্ন।

জানতে চাওয়া হয়, তাঁদের চেহারা নিয়ে তাঁর কোনও বিড়ম্বনা পড়তে হয়েছে কিনা! অপূর্ব বলেন, ‘বিড়ম্বনায় নিশোকে পড়তে হয়েছে। প্রচুর মানুষ ওকে অপূর্ব বলে ডাকত। ওকে বেশ ভুগতে হয়েছে তার জন্য। থ্যাঙ্ক গড যে ও নিশো হয়ে উঠতে পেরেছে। আসলে নিশোকে নিয়ে এসেছিলাম আমি। অভিনেতা হওয়ার আগে থেকে আমরা বন্ধু। আমি যখন নাটক শুরু করি, তখনই রাকাত ভাইকে বলি ওকে নাটকে নেওয়ার কথা। তার পর মাঝে অন্য কাজে ব্যস্ত ছিল। এখন আবার কাজ শুরু করেছে।’

প্রতিম ডি গুপ্ত পরিচালিত ‘চালচিত্র’র ছবির মাধ্যমে কলকাতায় অর্পূবের হাতেখড়ি হতে চলেছে। প্রথম ছবিতেই প্রেমের খোলস ছেড়ে খলচরিত্রে তিনি। 

শান্তনু মহেশ্বরী, ইন্দ্রজিৎ বোস, টোটা রায়চৌধুরী, অপূর্ব, অনির্বাণ চক্রবর্তীচরিত্র নিয়ে এ অভিনেতা বলেন, ‘আগেভাগে কিছুই বলতে চাই না। তবে গল্পের অনেকগুলো সাব প্লট আছে। আমি আসলে সোজাসাপটা কথা বলতে পছন্দ করি। কিন্তু কী বলতে কী বলব, তাই চুপ করে আছি।’

‘চালচিত্র’ ছবির মাধ্যমে চঞ্চল চৌধুরী-মোশারফ করিমের পর কলকাতার পর্দায় অভিষেক হবে অপূর্বর। জানা যায়, ছবিতে আছেন টলিউডের বেশ কয়েকজন নায়ক-নায়িকা।