বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল। নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তারের রিটের পরিপ্রেক্ষিতে এই স্থগিতাদেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত।
সোমবার (২০ মে) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির ঘটনা তদন্তের জন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বিষয়টি নিয়ে ইনডিপেনডেন্ট ডিজিটালের সঙ্গে কথা বলেছেন ডিপজল। তাঁর ভাষ্য, ‘সবসময় আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। হাইকোর্ট যেহেতু রায় দিয়েছেন এখানে আমার কিছু বলার নাই। তবে একটা বিষয় বুঝছি এটার পেছনে অবশ্যই বড় শক্তি আছে। যেহেতু এটা করতে পারছে বুঝতে হবে তার (নিপুণের) পেছনের হাত লম্বা।’
ডিপজল আরও বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে বর্তমান শিল্পী সমিতির কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে আগামীকাল অথবা পরের দিন আমরা চেম্বার জজ আদালতে যাব। এই বিষয়ে আর কিছু বলতে চাই না।’
গত ১৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয় চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। ফলাফল ঘোষণা হয় শনিবার (২০ এপ্রিল) সকালে। ফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার খোরশেদ আলম খসরু। এতে নতুন সভাপতি নির্বাচিত হন জনপ্রিয় অভিনেতা মিশা সওদাগর এবং সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হন মনোয়ার হোসেন ডিপজল।
নির্বাচনে সভাপতি মিশা সওদাগর মোট ভোট পান ২৬৫টি। অন্যদিকে, মাহমুদ কলি ১৭০ ভোট পেয়ে পরাজিত হন। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত ডিপজল পান ২২৫ ভোট। ১৬ ভোট কম পেয়ে পরাজিত হন নিপুণ আক্তার (২০৯)।