বাংলা চলচ্চিত্রের বরপুত্র সালমান শাহ। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রহস্যজনকভাবে মারা যান তিনি। তাঁর স্ত্রী সামিরা হক দাবি করেন, এটি আত্মহত্যা। কিন্তু প্রায় তিন দশক পর আদালতের নির্দেশে অপমৃত্যুর মামলা এখন রূপ নিয়েছে হত্যা মামলায়, যেখানে প্রধান আসামি হিসেবে নাম আছে সামিরার।
সালমান শাহর জীবনের শেষ অধ্যায় যেমন প্রশ্নে ঘেরা, তেমনি তার মৃত্যুও আজও রয়ে গেছে এক অমীমাংসিত রহস্য। ভক্তদের মধ্যে আছে নানান প্রশ্ন ও আবেগ।
ছোট ও বড় পর্দার অভিনেত্রী প্রসূন আজাদ সালমান শাহকে নিয়ে নিজের ফেসবুকে লিখেছেন একটি আবেগঘন পোস্ট। তিনি লিখেছেন, ‘সত্যিকার অর্থে সালমান শাহকে কেউ কখনো ভালোবেসেছিল কিনা আমার সন্দেহ আছে।’
নিজের ধারণা, ব্যাখ্যা করে প্রসূন বলেন, ‘আমার ধারণা, সালমান প্রচণ্ড ডিপ্রেশনে ভুগছিলেন। সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হওয়া সম্ভব ছিল। কিন্তু সত্যিকার অর্থে তাকে কেউ কখনো ভালোবেসেছিল কিনা আমার সন্দেহ আছে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘স্টারদের স্টারডম সবাই ভালোবাসে। তার একাকিত্ব তাতে কমে না। তাঁর মা কিংবা বউ কেউ আদৌ নিঃস্বার্থভাবে তাঁর পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন কিনা সন্দেহ আছে। সফলতার চরমতম স্বাদ পাওয়ার পর তারা সব ছেড়ে চলে যায়, যারা অভিমানী।’
অভিনয়ের শুরু সালমান শাহর ‘আকাশ ছোঁয়া’ নাটক দিয়ে, ১৯৮৫ সালে বিটিভিতে প্রচারিত এ নাটকেই প্রথম দর্শকের নজর কাড়েন তিনি। এরপর পরিচালক সোহানুর রহমান সোহানের হাত ধরে ১৯৯৩ সালে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ। ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ নামের সে ছবির নায়িকা ছিলেন মৌসুমী।
মাত্র চার বছরের ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে গেছেন সালমান শাহ। এর মধ্যে ১৪টি সিনেমায় শাবনূরের সঙ্গে জুটি বেঁধে দর্শকদের উপহার দিয়েছেন একের পর এক হিট ছবি।