চিত্রনায়িকা পরী মণির জন্মদিন মানেই চমকে ভরা বিশেষ আয়োজন। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। দেশের পাশাপাশি বিদেশের মাটিতেও কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করেছেন। জন্মদিনে ছিলেন মালয়েশিয়ায়, সেখান থেকে ফিরে এবার ঘনিষ্ঠজনদের নিয়েও তিনি কেক কাটলেন। তবে তাঁর অনুষ্ঠানে গিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হন অভিনেত্রী প্রসূন আজাদ। সেখানে আইনশৃঙ্খলা ও অতিথিদের অভ্যর্থনা জানানোর দায়িত্বরতদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে তিনি সেখান থেকে ফিরে আসেন।
বুধবার (৫ নভেম্বর) দিবাগত রাতে ফেসবুকের এক পোস্টে বিষয়টি তুলে ধরেন প্রসূন। তিনি বলেন, ‘‘পরী মণি মানুষদের দাওয়াত দেয়। মানুষজন যায়। যাওয়ার পর অনেকগুলো সান্ডা-সান্ডা, পান্ডা লোক দাঁড়ায় থাকে। যারা আপনার হাঁটার রাস্তা আটকে জিজ্ঞেস করবে ‘আপনি কে?’ পরী মণি হয়তো নিজেও জানে না তার নাম রৌশন করতে যতলোক সে টাকা খরচ করে রেখেছে, তারা প্রত্যেকেই তার গেস্টদের (অতিথি) মূলত অপমান করার জন্যই কাজ করছে। এই সান্ডাদের কালো রঙের গেঞ্জি ও প্যান্ট না পরিয়ে হাতে একটা কাগজ ও কলম ধরিয়ে দিলে বরং খরচা কম হতো। সাথে আগত অতিথিদেরও অসম্মান হতো না। কাউকে জিজ্ঞেস করার আগে একটা গেস্ট লিস্ট (অতিথিদের তালিকা) রাখা প্রয়োজন।’
সচরাচর শোবিজ অঙ্গনের আমন্ত্রণে দেখা যায় না প্রসূনকে—এমনটা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি মিডিয়ার কারও দাওয়াতে যাই না। মেট্রোতে করে, রিকশা করে প্রচুর ধকল পেরিয়ে গিয়েছিলাম। কারণ সে (পরী মণি) আমার পছন্দের মানুষ। পরী, তুমি আমাকে লোক-দেখানো পার্টিতে ডেকে এদের দিয়ে না জিজ্ঞেস করালেও পারতে, আমি কে? যেকোনো অনুষ্ঠানে যাওয়া বাচ্চাদের ম্যানেজমেন্ট, একজন গৃহিণীর জন্য এটা খুব সহজ কাজ না। আমি কে—এটা নিয়ে কথা বলার মতো মানুষ আমি এখনও হতে পারি নাই। তাই তোমার সান্ডা-পান্ডাদের নিজের নামটা বলতে পারি নাই।’
সবশেষে অভিমানের সুরে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘যদিও আমি গিয়েছিলাম এবং চলেও এসেছি। অন্যসময় কোথাও দেখা হবে।’
প্রসঙ্গত, ২৪ অক্টোবর ছিল পরী মণির জন্মদিন। অবশ্য তার ৪ দিন আগেই মেকাপ আর্টিস্ট অর্ক তাঁকে চমকে দিয়ে জন্মদিনের আয়োজন করেন। তারপর ২৩ অক্টোবর মালয়েশিয়ার উদ্দেশে উড়াল দেন পরী, সেখানেই কাটে তাঁর জন্মদিন। সেখান থেকে ফিরে গতকাল সন্ধ্যায় ঘনিষ্ঠজনদের নিয়ে ফের কেক কাটেন।