আরমান-মুক্তির মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বাপ্পারাজ

আসন্ন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে অংশ নেওয়ার কথা ছিল চিত্রনায়ক বাপ্পারাজের। তাঁর প্যানেলে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি। তবে শেষ মুহূর্তে পারিবারিক ও ব্যবসায়িক ব্যস্ততা দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান এই অভিনেতা।

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও হঠাৎ করেই সোমবার (২২ জুন) শিল্পী সমিতির নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমার দিনে ঢাকাই সিনেমার আঁতুড়ঘর এফডিসিতে হাজির হন বাপ্পারাজ। তবে কি সিদ্ধান্তে বদলে আবারও নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন এই নায়ক—এমন প্রশ্ন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের। যদিও তিনি জানালেন ভিন্ন কথা!

এই অভিনেতা বলেন, ‘আমি প্রার্থী না হলেও আমার গড়া প্যানেলের মনোনয়নপত্র জমা দিতে এসেছি। মুক্তিকে আগেই জানিয়ে রেখেছিলাম যে, তোমাদের সঙ্গে সবসময় আছি। তাই আরমান-মুক্তি প্যানেলের মনোনয়নপত্র জমা দিতে এফডিসিতে এসেছি। তাদের জন্য সবসময় শুভকামনা।’

মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে বাপ্পারাজকে ধন্যবাদ জানান রুমানা ইসলাম মুক্তি। সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকের এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘শিল্পী সমিতি ২০২৬-২০২৮ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দিলাম আরমান-মুক্তি প‍্যানেল, আলহামদুলিল্লাহ। বাপ্পারাজ ভাইকে অনেক ধন্যবাদ আমাদের জন্য আজকে শিল্পী সমিতিতে আসায় এবং আমাদের সাথে আরমান-মুক্তি প‍্যানেলের মনোনয়ন জমা দেওয়ার জন্য।’

শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচন সামনে রেখে সভাপতি পদে বাপ্পারাজের নাম ঘোষণার পর শিল্পীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে একই প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মুক্তি ছিলেন সবচেয়ে আশাবাদী ও উচ্ছ্বসিত। নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন পরিকল্পনা, বৈঠক ও আড্ডাতেও একসঙ্গে দেখা গেছে তাঁদের। কিন্তু সেই সমীকরণ বদলে যায় হঠাৎ করেই!

এরপর বাপ্পারাজের পরিবর্তে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দেন চলচ্চিত্রের পরিচিত সিনিয়র ফাইট ডিরেক্টর, অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক আরমান। এই পদ থেকে বাপ্পারাজ নিজের নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ায় আরমান যুক্ত হন। তাঁর সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তি।

প্রসঙ্গত, আগামী ৩ জুলাই এফডিসিতে অনুষ্ঠিত হবে শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের এই দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন।