জনপ্রিয় হলিউড অভিনেতা আর্নল্ড শোয়ার্জনেগারকে বিমানবন্দরে আটক করেছিলেন নিরাপত্তারক্ষীরা। মূলত সঙ্গে থাকা একটি দামি ঘড়ির জন্যই এই বিপত্তিতে পড়তে হয় তাঁকে। বুধবার (১৭ জানুয়ারি) জার্মানির মিউনিখ বিমানবন্দরে এই ঘটনা ঘটে। বেশ অপদস্থও হতে হয় অভিনেতাকে। এমনটাই বলছে দ্য গার্ডিয়ান, সিএনএনসহ একাধিক গণমাধ্যম।
জানা যায়, নিজের সঙ্গে বিলাসবহুল সুইস ব্র্যান্ড ওদোমা পিগে’র একটি ঘড়ি বহন করছিলেন আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার। কিন্তু এ বিষয়ে তিনি এয়ারপোর্টে ডিক্লেয়ার করেছিলেন না। ফলে কাস্টমস কর্মকর্তারা তাঁকে আটকান। কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয় তাঁর বিরুদ্ধে।
অভিনেতার মুখপাত্র থমাস মেইস্টের জানান, বিমানবন্দরে অভিনেতাকে বলা হয় তিনি পরবর্তী যাত্রা করতে পারলেও ঘড়িটি রেখে যেতেও হতে পারে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ অভিনেতাকে বলেছে তাঁদের কাছে তথ্য রয়েছে, ঘড়িটি তিনি ইউরোপের এক নিলামে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিচ্ছেন। জলবায়ুবিষয়ক সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার অস্ট্রিয়ার কিটজবুহেলে এক ফান্ডরেইজিং ডিনারের আয়োজন করা হয়েছে, সেখানেই ঘড়িটি নিলামে উঠবে। আর এ কারণেই করবিহীন অভিনেতার ঘড়িটি ছাড়েনি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
এ সময় কর শোধ করার জন্য কাস্টমস কর্মকর্তাদের একটি ক্রেডিট কার্ডও দেন শোয়ের্জনেগার। কিন্তু যান্ত্রিক গোলযোগের কারণের সেখানেও এক ঘণ্টা নষ্ট হয়েছে। পরে আরেকটি নতুন ক্রেডিট কার্ড মেশিন নিয়ে আসার পর সেটি কাজ করে এবং অভিনেতা কর পরিশোধ করে ছাড়া পান।
জানা যায়, প্রায় দুই ঘণ্টারও বেশি সময় বিমানবন্দরে আটকে রাখার পর ছাড়া পেয়ে পরের বিমানে যাত্রা করেন শোয়ার্জনেগার।