প্রধানমন্ত্রিত্ব ছেড়ে এখন কী করছেন তিনি

ট্রুডো ও কেটি। এভাবেই তাদের রোমাঞ্চ ধরা পড়ে ক্যামেরায়। ছবি: ইনস্টাগ্রামপপ দুনিয়া আর আন্তর্জাতিক রাজনীতির অপ্রত্যাশিত এক প্রেমকাহিনি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। পপ তারকা কেটি পেরি ও কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো—তাদের সম্পর্ক ধীরে ধীরে আরও সিরিয়াস হয়ে উঠছে বলে ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে। ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই রোমান্স এখন ব্যক্তিগত গণ্ডি পেরিয়ে শোবিজ ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

গত বছরের জুলাই মাসে প্রথম ডেটিং গুঞ্জন ছড়ালেও, তাদের সম্পর্ক প্রকাশ্যে আসে কেটির ৪১তম জন্মদিনে। গত ২৫ অক্টোবর প্যারিসে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে প্রেমিক-প্রেমিকা হিসেবে একসঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যায় এই জুটিকে। এরপর ৬ ডিসেম্বর ইনস্টাগ্রামে সম্পর্কের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে তারা, যা ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি করে।

সূত্রের খবর, এই সম্পর্ক শুধুই হালকা প্রেমের সম্পর্ক নয়, বরং ধীরে ধীরে গভীর বন্ধনে পরিণত হচ্ছে। ঘনিষ্ঠ এক সূত্র আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, ট্রুডো কেটির জীবনে একেবারে সঠিক সময়ে এসেছেন। তিনি কেটিকে মানসিকভাবে সমর্থন দেন এবং সবসময় তাকে আত্মবিশ্বাসী অনুভব করান। কেটিও ট্রুডোর ব্যক্তিত্ব ও অর্জনে বেশ মুগ্ধ।

একসঙ্গে দুজনে। ছবি: সংগৃহীতপেরির ঘনিষ্ঠদের মতে, গায়ক ও অভিনেতা অরল্যান্ডো ব্লুমের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর কেটি নতুন করে প্রেম নিয়ে তেমন চিন্তা করছিলেন না। তবে ট্রুডোর ধৈর্য, আন্তরিকতা এবং নিয়মিত যোগাযোগ ধীরে ধীরে কেটির মন জয় করে নেয়। জানা গেছে, ট্রুডো কেটির ট্যুর শিডিউলের ফাঁকে ফাঁকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উড়ে গিয়ে তার সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন। এই আন্তরিক প্রচেষ্টা কেটিকে বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

অন্যদিকে, জাস্টিন ট্রুডোর ব্যক্তিগত জীবনেও এটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা। ২০২৩ সালে স্ত্রী সোফি গ্রেগোয়ার ট্রুডোর সঙ্গে ১৮ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানেন তিনি। তিন সন্তান থাকলেও তিনি নতুনভাবে জীবন সাজানোর চেষ্টা করছেন। 

আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, কেটি ও ট্রুডো একে অপরের প্রতি বেশ আকৃষ্ট। কেটি ট্রুডোর নেতৃত্বগুণ, রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এবং ব্যক্তিত্ব দেখে অনুপ্রাণিত হচ্ছেন বলেও জানা গেছে। তাদের বন্ধুরা বলছেন, দুজনই একে অপরের সঙ্গে সময় কাটাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন। আর ২০২৫ সালে প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়ার পর আরও বেশি সময় কেটির পেছনেই দিচ্ছেন ট্রুডো।