হার্টের রিংয়ের আকার ও বেশি দামের কারণে হাসপাতাল থেকে ফিরে যাচ্ছে অনেক রোগী। ১৭ ডিসেম্বর থেকে চলছে এমন দুর্ভোগ। অথচ এই সংকটে কিছুই করার নেই বলে জানিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। মহাপরিচালক বলেন, ১৩ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশে এর সমাধান হতে পারে।
১৬ ডিসেম্বর হার্টের রিংয়ের নতুন দাম ঠিক করে দেয় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। এর প্রতিবাদে ২৭টির মধ্যে ২৪ আমদানিকারক রিং সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। চিকিৎসকরা জানান, তুলনামূলক কম দামের কারণে ইউরোপের রিংয়ের চাহিদা বেশি। কিন্তু সরবরাহ বন্ধ থাকায় অনেক রোগীকে ফিরে যেতে হচ্ছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জে. নাজমুল হক বলেন, রিং নিয়ে সাপ্লাই বা ভোগান্তির কথা যদি বলতে হয়, অবশ্যই সাফারিং আছে এখানে। এর কারণ সাপ্লায়ারদের একাংশ বন্ধ রেখেছে তাই অন্যরাও দিতে পারছে না।
অচলাবস্থা কাটাতে আমদানিকারকদের সঙ্গে আলোচনায় বসে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। তারপরও কোনো সুরাহা হয়নি।
এদিকে রিং সরবরাহ স্বাভাবিক করার কোনো তোড়জোড় নেই কর্তৃপক্ষের। বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশের অপেক্ষায় আছেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জে. মোহাম্মদ ইউসুফ। তিনি বলেন, যেসব বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এগুলো নিয়ে কাজ করেন তারাই দাম নির্ধারণ করেছেন, আমার কোনো কিছু বলার নাই, আমি বিশেষজ্ঞ নই। যা করার তারাই করবেন।
বিশেষজ্ঞ কমিটির ১৩ সদস্যের মধ্যে চার জনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তারা।
আরও পড়ুন: