হাম–ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায়ও সক্ষমতা দেখিয়েছে ডিএনসিসি কোভিড হাসপাতাল

আপডেট : ০৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৮ পিএম

হাম, ডেঙ্গু, কোভিডের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সক্ষমতা দেখিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালের মতো হাতেগোনা কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন সক্ষমতা-সম্পন্ন সরকারি হাসপাতালের সংখ্যা আরও বাড়ানো উচিত। 

একই সঙ্গে, মহামারি ঠেকাতে বেসরকারি হাসপাতালগুলোর ভূমিকা বাড়ানোর তাগিদ দিচ্ছেন তারা। 

এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে ছুটে চলা হাম আক্রান্ত সন্তানের সুস্থতার জন্য। কোলের শিশুর এমন করুণ অবস্থা যেকোনো বাবা মার কাছে দুঃস্বপ্নের মতো। সঠিক চিকিৎসা পেতে ভোগান্তির যেন শেষ নেই।

তবে কয়েকটি হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় সন্তুষ্ট রোগীর স্বজনরা। 

এক শিশু রোগীর অভিভাবক বলেন, ১ জুলাই রাতে আমরা গাজীপুর থেকে রোগী নিয়ে এসেছি। এখানে ট্রিটমেন্ট মোটামুটি ভালো। 

আরেক শিশুর অভিভাবক বলেন, চিকিৎসার দিক দিয়ে আমরা নার্স ও ডাক্তারদের কাছ থেকে যথেষ্ট সেবা পাচ্ছি। 

রোগীদের সেবা দিতে পেরে সন্তুষ্ট ডিএনসিসি কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালের চিকিৎসকরাও। 

ডিএনসিসি কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. দেবব্রত রায় বলেন, আমাদের এখানে ৯ হাজার ৯শত ৫৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। তারমধ্যে ৬৫ জন মারা গেছে। মৃত্যু হার ১ শতাংশেরও অনেক কম। আইসিইউ সার্ভিসসহ সবকিছুই আমরা সর্বোাচ্চভাবে দেওয়ার চেষ্টা করছি। আমাদের এখানে হামের মৃত্যুহার অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক কম। 

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারের উচিত ডিএনসিসি কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালের মতো সেবাদানে সক্ষম হাসপাতালের সংখ্যা আরও বাড়ানো।

জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, প্রত্যেকটা হাসপাতালেই হামের আইসোলেটেড চিকিৎসা করা দরকার। অনেকটা হয়েছে, তবে পুরোপুরি হয়নি। যেসব জেনারেল হাসপাতালে অন্যান্য বিষয়ের রোগীরাও আছে, সেখানে এটার ব্যবস্থা করা একটু কঠিন। তারপরও জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় সেই কঠিন কাজটাই কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের করতে হবে। 

কোভিড, হাম কিংবা ডেঙ্গুর মতো দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালগুলোর ভূমিকা বাড়ানোর তাগিদ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের।

২৪ ঘণ্টায় ১০৬ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯২৫। ৮৭৮ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯০৪ শিশু।
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৩৮ জন শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩  শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট মৃত্যু ৭৩১। 
গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৫ শিশুর প্রত্যেকেই হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিল। তবে এই সময়ে ল্যাব টেস্টে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৭২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা ১২ হাজার ২৮৬।
বাংলাদেশ পুলিশের কিছু বড় পদে ব্যাপক রদবদলের পর এবার একসঙ্গে ৩৩ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। তাদের মধ্যে ১৪ জন ডিআইজি, ১৮ জন অতিরিক্ত ডিআইজি এবং একজন পুলিশ সুপার (এসপি)...
বরিশাল থেকে ফরিদপুরগামী যাত্রীবাহী সাকুরা পরিবহনের একটি বাস বিপরীত দিক থেকে আসা এপাচি মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এতে মোটরসাইকেল চালক নগরকান্দা উপজেলা নাওডুবি গ্রামের জাহিদ মাতুব্বরের ছেলে  ফাহিম...
বিশ্বকাপের আরেকটি হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ। আজ (রোববার) দিবাগত রাত ২টায় নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শেষ ষোলোর এক ব্লকবাস্টার লড়াই দেখতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্ব। একদিকে হেক্সা মিশনে থাকা বিশ্ব ফুটবলের...
প্যারাগুয়ে নেতিবাচক ও মাত্রাতিরিক্ত আগ্রাসী ফুটবল খেলায় ফ্রান্সও একই ধরনের কৌশল বেছে নিতে বাধ্য হয়েছিল বলে জানিয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। জার্মানিকে যে ছকে বিদায় করেছিল প্যারাগুয়ে, এবার ফরাসিদের...
লোডিং...

এলাকার খবর