স্থূলতার কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি কতটা বাড়তে পারে?

স্থূলতা একটি স্বাস্থ্যগত সমস্যা। শরীরে স্বাভাবিকের তুলনায় অতিরিক্ত চর্বি জমে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। সারা বিশ্বের বহু বহু মানুষ স্থূলতাজনিত সমস্যায় আছেন। বলা যায়, শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক কমবেশি সবাই এখন স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় ভুগছেন।

এ ক্ষেত্রে নিম্ন আর মধ্য আয়ের দেশের বেশিরভাগ মানুষ স্থূলতায় ভুগছেন। আবার ফাস্টফুড ও ভাজাপোড়াজাতীয় খাবারের কারণে শিশুদের স্থূলতা বেড়ে চলছে।  স্থূলতা ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপেরও কারণ হয়ে দাড়িয়েছে।

মানুষের বেঁচে থাকার প্রয়োজনে খাবারের প্রয়োজন। তবে স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে একসঙ্গে বেশি খাবার একসঙ্গে খাওয়া উচিত না। তা না হলে অতিরিক্ত মেদ শরীরে জমতে থাকবে। আর অতিরিক্ত মেদ জমে তা থেকে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে নানা রোগ।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী বলেন, ‘আমরা যদি প্রতিদিন বেশি আহার করি কিন্তু ব্যায়াম না করি, এতে যে খাবার থেকে যে ক্যালরি নিলাম তা দহন হবে না। শরীরে অল্প মেদ ভালো, কিন্তু অতিরিক্ত মেদ হলে শরীরে বাসা বাধবে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও ক্যানসারের মতো রোগ। স্থূলতার কারণে হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস এবং নির্দিষ্ট কিছু ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে। এর মূল কারণ অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া আর অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন।’

করণীয়

১. প্রতিদিন ব্যায়াম করুন। পাশাপাশি প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটুন।

২. কায়িক পরিশ্রমও করুন। কম পরিশ্রমে শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমা সহজ।

৩. ফাস্টফুড, চিনি, কোমল পানীয় যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।

৪. ফল, সবজি, আঁশ, মাছের তেল ও কম শর্করাযুক্ত খাবার খান।

৫. এক সঙ্গে বেশি খাবার না খেয়ে অল্প অল্প পরিমাণে খাওয়ার চেষ্টা করুন।

৬. চা পান করলে এক চামচের বেশি চিনি চায়ে দিবেন না।

আরো পড়ুন: