ডেঙ্গুতে এ বছর মোট মৃত্যুর প্রায় ৪১ ভাগই হয়েছে চলতি মাসের প্রথমার্ধে। আর মোট আক্রান্তের অন্তত ৩৪ ভাগ হয়েছে একই সময়ে। তাই সেপ্টেম্বরকে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাবের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ মাস মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই শিশুদের প্রতি বিশেষ যত্নবান হতে পরামর্শ তাদের। এছাড়া বয়স্ক এবং অন্য রোগে আক্রান্তদের ব্যাপারেও সতর্ক থাকতে বলছেন তারা।
সবশেষ হিসাবে, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘন্টায় মারা গেছেন ৭ জন। যাদের ২ জন খুলনা বিভাগের। একজন করে ঢাকা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের।
২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৫৯৩ জন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগের, ৬৮৬ জন। তারপরই খুলনার অবস্থান, ২৯০ জন।
চলতি বছর সারা দেশে ৫৫ হাজার আক্রান্ত রয়েছেন। এর মধ্যে শুধু আগস্টে আক্রান্ত ২০ হাজার ৫৩৬ জন। এদিকে সেপ্টেম্বরের ১৫ দিনেই আক্রান্ত ছাড়িয়েছে ১৯ হাজার ৩শ। রেকর্ড ভাঙছে মৃত্যু সংখ্যায়ও। পুরো জুলাই জুড়ে যেখানে ৩৬ মৃত্যু, সেখানে সেপ্টেম্বরের অর্ধেকেই প্রাণহানি ৬৭ জনের।
এ অবস্থায় বয়স্ক, অন্য রোগে আক্রান্ত আর বিশেষ করে শিশুদের যত্নে রাখার পরামর্শ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের।
ঢাকা মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. কাকলী হালদার বলেন, রোগীরা অস্থিরতা অনুভব করে। শ্বাসকষ্ট হয়, নিস্তেজ হয়ে যায়, হাত–পা ঠান্ডা হয়ে যায়। এসব লক্ষণকে বলা হয় সংকটপূর্ণ অবস্থা। এমন হলে সাথে সাথে হাসপাতালে আসতে হবে।
একদিনে এ বছরের সর্বোচ্চ আক্রান্ত হন ১৪ সেপ্টেম্বর, ১৭শ ৩৩ জন। একই মাসের ৮ তারিখে, একদিনে সর্বোচ্চ ৯ জনের মৃত্যু হয়।