বসন্তের বাতাস থেকে কি অ্যালার্জি হয়? জেনে নিন প্রতিকার

এখন চলছে বসন্তকাল। ঋতু পরিবর্তনের ফলে এ সময় প্রকৃতিতে দেখা দেয় সবুজের ছোঁয়া। গাছে গাছে নানান রঙের ফুল ফোটে। তাই চারদিকে ঘুরে বেড়ায় ফুলের রেণু। বাতাসের মাধ্যমে সেই ফুলের রেণু আমাদের শরীরের প্রবেশ করে। অন্যদিক এ সময় আবহাওয়া থাকে শুষ্ক। তাই বাতাসে থাকে প্রচুর ধুলোবালি। বসন্তের বাতাসে থাকা ফুলের রেণু ও ধুলোবালি থেকে অ্যালার্জিজনিত নানা রোগ দেখা দিতে পারে।

করণীয়
১. ফুলের রেণু এড়িয়ে চলতে বাইরে গেলে মাস্ক পড়ুন।
২. ঘরের দরজা জানালা যতটা সম্ভব বন্ধ রাখুন।
৩. ভ্রমণে গেলে গাড়ির জানালা বন্ধ রাখুন।
৪. জ্বর, সর্দি, কাশি হলে সাবধানতা অবলম্বন করুন।
৫. বাসায় ঢুকেই ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পান করবেন না। 
৬. প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান পান করুন।
৭. যাদের অ্যালার্জির সমস্যা আছে, তারা ফুলের বাগানে বেশি যাবেন না।  
৮. এ সময় শিশুরা যাতে ফুল নিয়ে খেলতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখুন।
৯. যাদের বিভিন্ন বিষয়ে (ধুলোবালি বা পোষা প্রাণী) অ্যালার্জির সমস্যা হয়, সেসব থেকে সাবধানে থাকতে হবে।
১০. শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য মৌসুমি ফল ও ভিটামিনযুক্ত খাবার খান।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী বলেন, ‘বসন্তকালে বিভিন্ন ধরনের অসুখ হতে পারে। তাই এ সময় সতর্ক থাকা দরকার। বসন্তকালে ফুলের রেণু, ধুলোবালির কারণে অ্যালার্জির সমস্যা দেখা দিতে পারে। ফুলের রেণু চোখ, নাক, ত্বক ও নিশ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসে প্রবেশ করে।’

অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী মনে করেন, ফুলের রেণু ও ধুলোবালির কারণে সর্দি, হাঁচি, নাক, চোখের চুলকানি, চোখ ফুলে যাওয়া, চোখ থেকে পানি পড়া, নাক বন্ধ থাকা, জ্বর বা অ্যাজমা দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া বসন্তে শরীরে ফুসকুড়ি উঠতে পারে। তবে ভয়ের কিছু নেই। অল্প কয়েকদিনের মধ্যে ফুসকুড়ি শুকিয়ে যাবে। বসন্তের অসুখ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে প্রয়োজন সচেতনতা।

আরও পড়ুন: