গ্রিলড চিকেন আর ডিম খেয়ে ফিট ‘পুষ্পা রাজ’   

গত ৫ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমা ‘পুষ্পা ২: দ্য রুল’। একের পর এক রেকর্ড, প্রিমিয়ারে ভক্তের মৃত্যু, গ্রেপ্তার সব মিলিয়ে আলোচনায় রয়েছেন সিনেমার নায়ক আল্লু অর্জুন।

বিতর্ক পিছু না ছাড়লেও ‘আইকন স্টার’ এর অনুরাগী এখন গোটা বিশ্বজুড়ে। তাঁর জীবনযাপন এবং ফিটনেস রুটিন নিয়েও তাই সবার আগ্রহ তুঙ্গে।

গ্রিলড চিকেন প্রতিদিন

হাই এনার্জি পারফরম্যান্স এবং নাচের জন্য সুনাম রয়েছে ৪১ বছর বয়সী এই সুপারস্টারের। দিনভর তাজা থাকতে আল্লু অর্জুনের দিন শুরু হয় প্রোটিনে ভরপুর নাশতার মাধ্যমে।

মাংসপেশিকে সুগঠিত রাখতে সকালে একাধিক ডিম খেয়ে থাকেন এই তারকা। এই আইটেমের কোনো হেরফের নেই। তবে দুপুরের এবং রাতের খাবারের মেন্যুতে আসে পরিবর্তন।  

সকালের নাশতায় আল্লুর কমন আইটেম ডিম। ছবি: ফ্রিপিক

সেখানেও প্রোটিন এবং ফাইবারের আধিক্য। দুপুরের খাবারে বেশিরভাগ সময়ই গ্রিলড চিকেন খান এই স্টাইলিশ স্টার। কারণ এতে আছে লিন প্রোটিন যা তাঁর মাংসপেশির গঠন এবং মেটাবলিজমকে গতিশীল করতে সাহায্য করে। সঙ্গে থাকে ব্রাউন রাইস এবং প্রচুর সবুজ শাকসবজি। এখান থেকেই ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের চাহিদা পূরণ হয়ে যায় আল্লুর, যা তার ত্বককেও ভাল রাখে।

লাঞ্চের পর এক গ্লাস ফ্রুট শেক খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে এই তারকার। এতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেলের অভাব পূরণ হয়ে যায়। 

চকলেট বিনজিং

নানা রকম বাদাম ও বীজ খেতে পছন্দ করেন তিনি। তাই গ্রিন বিনস, ভুট্টা, ব্রাউন রাইস ও সালাদ থাকে তাঁর ডিনারে। তবে দুই খাবারের মাঝের সময়টায় প্রায়ই চকলেট খাওয়ার বাজে অভ্যাস রয়েছে আল্লুর; এ ছাড়া দুগ্ধজাত একাধিক খাবারে রয়েছে এলার্জি। 

ক্যালিসথেনিক্স ভক্ত আল্লু

ছবির চিত্রনাট্য এবং অ্যাকশনের ওপর নির্ভর করে পেশি গঠনে প্রায়ই পরিবর্তন আনতে হয় তারকাদের। তবে অ্যাকশন ক্রাইম থ্রিলার হলেও ‘পুষ্পা: ২’ এর শ্যুটিংয়ের আগে ডায়েট এবং শরীরচর্চায় খুব বেশি বদল আনতে হয়নি আল্লুকে।  

ঘুম থেকে উঠে ট্রেডমিলে দৌড়ানোর অভ্যাস এই দক্ষিণী তারকার। ছবি: সংগৃহীত

এমনিতে একদিনের জন্যও শরীরচর্চা বাদ দেন না ‘আরিয়া’ তারকা। সকালে খালি পেটে ৪৫ মিনিট থেকে প্রায় এক ঘণ্টা ট্রেডমিলে দৌড়ান তিনি।

এর পাশাপাশি ক্যালিসথেনিক্স (শরীরচর্চার বিশেষ ধরন) এবং স্কিল ট্রেনিংয়ের ভক্ত এই তারকা। তিনি বিশ্বাস করেন, ‘সুগঠিত শরীরের চেয়ে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বেশি জরুরি।’  

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া ডট কম, টাইমস অব ইন্ডিয়া