তরুণদের হার্ট অ্যাটাক বাড়ছে, চিকিৎসকদের উদ্বেগ

গাজীপুরের গার্মেন্টস কর্মী সাথী আকতার। বয়স ৩০। হার্ট ফেইলিওর নিয়ে ভর্তি জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে। করোনার কেয়ার ইউনিট বা সিসিইউতে সাথীর পাশেই ভর্তি আরেক রোগী রাশেদ মিয়া। তার বয়স ৩৫। রাজধানীর ডেমরায় পিকআপ চালান তিনি।

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে সাথী ও রাশেদ মিয়ার মতো রোগী অনেক। অল্প বয়সেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে নিচ্ছেন চিকিৎসা। হাসপাতালের তথ্য বলছে, প্রতিদিন ভর্তি রোগীর ত্রিশ ভাগের বেশির বয়স চল্লিশের কম। দশ বছর আগে এ হার ছিল দশ ভাগের মধ্যে।

দেশে অল্পবয়সীদের মধ্যে বাড়ছে হার্ট অ্যাটাক বা হৃদরোগ। ত্রিশ ভাগের বয়স ৪০ বছরের কম। ১০ বছরের ব্যবধানে আক্রান্তদের হার বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু ঝুঁকি অনেক বেশি, বলছেন চিকিৎসকরা। তরুণদের আক্রান্ত হওয়ার পেছনে ধূমপান-মানসিক চাপ সহ নানা কারণ দায়ী।

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন বলছে, তরুণদের হার্ট অ্যাটাকের বড় কারণ ধূমপান। ৪১ ভাগ তরুণের মৃত্যু তামাকের কারণে। এছাড়া, শারীরিক ও মানসিক চাপ, বায়ু দূষণ, চর্বিযুক্ত খাবার ও কায়িক পরিশ্রম না করার কারণেও তৈরি হচ্ছে ঝুঁকি।

রোগতত্ত্ব বিভাগের প্রধান, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের অধ্যাপক সোহেল রেজা চৌধুরী বলেছেন, "দেশে বছরে দুই লাখের বেশি মানুষ মারা যায় হৃদরোগে। উচ্চ রক্তচাপের রোগী বাড়ায় কমানো যাচ্ছে না হৃদরোগে আক্রান্তের সংখ্যা "।

/ আ. র /