লিপস্টিক শুধুমাত্র মেকআপের একটি অংশ নয়। এটি একই সঙ্গে আপনার ব্যক্তিত্ব ও মানসিকতা চেহারায় তুলে ধরে। তাই শুধুমাত্র লিপস্টিক পরলেই হবে না। সেটি আপনার সঙ্গে যাচ্ছে কিনা বুঝতে হবে। অনেকে বুঝতে পারেন না যে তাঁকে কোন রঙের লিপস্টিকে ভালো লাগবে। রইল তার পরামর্শ।
বুঝতে হবে ত্বকের টোন
প্রথমে আপনার ত্বকের টোন নির্ধারণ করুন। সাধারণত তিন ধরনের ত্বক দেখা যায়। ফেয়ার, মিডিয়াম বা ডার্ক। ত্বকের এই ধরনের উপর নির্ভর করে লিপস্টিকও আলাদা হবে। দেখে নিন সেগুলো কী কী।
কীভাবে বাছবেন লিপস্টিক শেড
ত্বকের টোন অনুযায়ী লিপস্টিক শেড বেছে নিতে হবে। ফেয়ার ত্বকের জন্য গোলাপি, পিচ বা কোরাল শেড ভালো মানাবে। আর মিডিয়াম ত্বকের জন্য গোল্ডেন, ব্রাউন বা মালবেরি শেড ভালো। তবে ডার্ক ত্বকের জন্য ডিপ বার্গেন্ডি, প্লাম, বা রেড শেড বেছে নিতে পারেন। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে লিপস্টিক নির্বাচন করুন।
কেনার সময় পরীক্ষা করুন
লিপস্টিক কেনার সময় অবশ্য টেস্ট করে নিবেন যে, সেটি আপনার ত্বকের সঙ্গে কতটা ভালো হয়। অবশ্য অনেক দোকানে এই টেস্ট করে দেখানো হয়। যদি সেটি না করে, তবে আপনি নিজেই টেস্ট করতে পারেন। আপনার হাতের পিছনে লিপস্টিক লাগান এবং ত্বকের টোনের সঙ্গে মানানসই কিনা দেখুন। তাহলে বিষয়টি আপনার কাছে পরিষ্কার হয়ে।
চুলের রঙের সঙ্গেও বিবেচনা করুন
লিপস্টিক শেড বেছে নেওয়ার সময় আপনার চুলের রংও বিবেচনা করুন। যদি চুল কালো হয়, তবে ডিপ শেড ভালো। আর যদি আপনার চুল বাদামি হয়, তাহলে মাঝারি শেড নিতে পারেন।
ব্যক্তিত্বের সঙ্গে যাচ্ছে কিনা দেখুন
আপনার ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তুলতে লিপস্টিক শেড বেশ কাজে দেয়। তাই লিপস্টিক বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে এই বিষয়টিতেও গুরুত্ব দিতে হবে। মনে রাখবেন, যদি গম্ভীর ব্যক্তিত্ব তুলে ধরতে চান, তবে গাঢ় রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করা বেশি ভালো। আর যদি একটু খোলামেলা হালকা মেজাজ তুলে ধরেন, তবে একটু হালকা রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করতে পারেন।
তবে আপনাকে এটাও মনে রাখতে হবে যে, সবশেষে সৌন্দর্য নিজের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যে রঙের লিপস্টিক পরে আপনার নিজেকে ভালোলাগবে, সেটি ব্যবহার করাই উত্তম। এখানে শুধুমাত্র প্রচলিত ধারণা তুলে ধরা হয়েছে। ব্যক্তি বিশেষে অবশ্যই এগুলো বদলাতে পারে।