ছেলেদের ট্রেন্ডি ৫ হেয়ার স্টাইল

ট্রেন্ডে থাকতে চাইলে পোশাকের পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে হেয়ার স্টাইলে। তাই আর সময় নষ্ট না করে এখন ট্রেন্ডিং হেয়ার স্টাইল সম্পর্কে জেনে নিন। তারপর আপনার যেটি পছন্দ হয়, সে ভাবেই কেটে নিন চুল।

কম্ব ওভার স্টাইল
বর্তমান সময়ে বেশ ট্রেন্ডে রয়েছে এই স্টাইল। এই কার্টে চুল পাশ থেকে বেশ খানিকটা ছোট করা হয়। আর মাঝের দিকের চুল থাকে কিছুটা বড়। এই স্টাইলিংয়ের সঙ্গে দাঁড়ি রাখতে চাইলে, একদম ছোট করতে হবে। লম্বা মুখের মানুষদের এই স্টাইল ভালো লাগবে। এতে একটা প্রফেশনাল ব্যাপারও রয়েছে। তাই আজকাল অনেক ছেলেরাই এই স্টাইল ফলো করছেন। আপনি চাইলেও কম্ব ওভার স্টাইলে চুল কাটতেই পারেন।

মডার্ন লুকে কুইফ
যদি আপনার মডার্ন লুক বেশি ভালো লাগে। তবে কুইফ স্টাইল হতে পারে পারফেক্ট। এই স্টাইলে ধারের চুল অনেক ছোট ছোট করে কাটা হয়। আর মাঝে থাকে সামান্য লম্বা চুল। এই চুল খুব সহজে স্পাইক করেও রাখতে পারেন। আর এটি আপনাকে ভিন্ন একটা লুক দেবে। এর সঙ্গে আপনি বড় দাড়িও রাখতে পারেন। তবে সেটিও যেন স্টাইলিশ হয় খেয়াল রাখবেন। ফ্যাশনেবল পোশাকের সঙ্গে দারুণ মানাবে এই ছাট। তাই নতুন হেয়ার স্টাইলের কথা চিন্তা করলে অবশ্যই কুইফ করতেই পারেন।

ফ্রেঞ্চ ক্রপ
আপনি যদি ফ্যাশন ওয়ার্ল্ডে পরিচিত মানুষ হন, তবে এই হেয়ার স্টাইল করতেই পারেন। তবে অফিসিয়াল বা ফরমালে একদমই বেমানান। এই ছাটের ক্ষেত্রে চুলের ধার একবারে গুটি গুটি করে কাটা হয়। আর মাঝের অংশ থাকে সামান্য লম্বা। এই স্টাইল সবার জন্য নয়। তাই এই স্টাইলে চুল কাটার আগে বিষয়টা অবশ্যই মাথায় রাখুন।

স্লিক ব্যাক
সব স্টাইল থেকে এগিয়ে আছে স্লিক ব্যাক। এই স্টাইলে দুই পাশের চুল ছোট ছোট করে ট্রিম করে দেওয়া হয়। তবে মাঝের চুল থাকে বেশ লম্বা। সেই চুল ব্রেকব্রাশ করে আঁচড়ানো হয়। এই স্টাইলের সঙ্গে হালকা দাড়ি রাখতেই পারেন। তাহলে আপনাকে বেশ ফ্যাশনেবল লাগবে। আপনার থেকে কারো নজর সরবে না। এই স্টাইল করতে চাইলে ঘন চুলের প্রয়োজন। পাতলা চুলে এই স্টাইল করা সম্ভব নয়। তাই বিষয়টি অবশ্যই মাথায় রাখবেন।

সাইড পার্ট
এখন অনেকেই এই স্টাইল করেন। এক্ষেত্রে চুলের দুই পাশ ছোট করে কাটা হয়। আর বরাবরের মতো মাঝের চুল থাকে বড়। তবে এই চুল ব্যাকব্রাশ না করে একদিকে ফেলে রাখতে হয়। এতেই মিলবে স্টাইলিশ লুক।

তবে যেই স্টাইলই করেন না কেন, চুলে বেশি জেল মাখবেন না। এতে ক্ষতি হতে পারে। সেই সঙ্গে ঝরতে পারে চুল।