বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নাম যেন একটু উজ্জ্বল হয়ে জ্বলে ওঠে, এমন প্রত্যাশা নিয়ে মিস ইউনিভার্স ২০২৫ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে তানজিয়া জামান মিথিলা। দেশের সৌন্দর্য, সংস্কৃতি আর আত্মবিশ্বাসকে তুলে ধরতে তিনি ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। প্রতিযোগিতার মূল পর্ব যেমন গুরুত্বপূর্ণ, ঠিক তেমনি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে অনলাইন ভোটিং। কারণ এই ভোটের ওপরই নির্ভর করছে কোন দেশ কত শক্তিশালী অবস্থানে শুরু করবে প্রতিযোগিতা।
বাংলাদেশ থেকে কীভাবে তাঁকে ভোট দিতে পারবেন, এ নিয়ে ভক্তদের কৌতূহলও কম নয়। প্রতিযোগিতার আয়োজকেরা জানিয়েছেন, ভোটিং এখন আগের চেয়ে আরও সহজ। শুধু একটি স্মার্টফোন আর ইন্টারনেট কানেকশন থাকলেই বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে মিথিলাকে ভোট দেওয়া সম্ভব।
মিথিলা তার ফেসবুক পেইজে ভক্তদের উদ্দেশ্যে লিখেছেন, ‘বিয়ন্ড দ্য ক্রাউন’ ক্যাটেগরিতে সবাই ভোট দিন। ‘পিপলস চয়েস’-এর পাশাপাশি আজ আমাদের লক্ষ্য ২ লাখ ভোট। আপনাদের প্রতিটি ভোট আমার জন্য বড় অনুপ্রেরণা।
ভোট দিতে প্রথমেই যেতে হবে মিস ইউনিভার্সের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপে। সেখানে ‘ভোট’ নামে একটি নির্দিষ্ট সেকশন থাকে। সেটিতে ক্লিক করলে ৬টি ক্যাটাগরি রয়েছে। তবে মিথিলা এখানের পিপলস চয়েসে ভোট দিতে বলেছেন। সেখানে ক্লিক করলে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীদের তালিকা দেখা যাবে। তালিকায় তানজিয়া জামান মিথিলা এবং বাংলাদেশ লেখা রয়েছে। তাঁর প্রোফাইল ছবিতে ক্লিক করলেই চলে আসবে ভোট দেওয়ার পেজে।
সেখানে দুই ধরনের অপশন থাকে, ভোট এবং গেট ভোট। যদি আগে থেকে আপনার ভোট রিজার্ভ থাকে তবে সরাসরি ভোট দিতে পারবেন। আর যদি না থাকে তবে ভোট সংগ্রহ করতে হবে। গেট ভোট অপশনি ‘গেট ফ্রি ভোট’ এবং ‘বাই ভোট’ পাবেন। সেখানে ‘গেট ফ্রি ভোটে’ একটি ভিডিও দেখার মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হবে ভোট। তারপর ভোটের সংখা লিখে ‘ওকে’ করে দিলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে গণনায় চলে যায়।
অল্প সময়ে আরও বেশি ভোট দিতে চাইলে আছে পেইড ভোটের সুবিধা। ভিসা বা মাস্টারকার্ডের আন্তর্জাতিক ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড বা পেপ্যাল, ব্যবহার করে নির্দিষ্ট প্যাকেজ কেনা যায়। যত বড় প্যাকেজ, তত বেশি ভোট যোগ হবে মিথিলার ঝুলিতে। ভক্তরা একে ‘সাপোর্ট পয়েন্ট’ বলেও পরিচিত। অনেক দেশেই তাদের প্রিয় প্রতিযোগীকে এগিয়ে দিতে ব্যাপক পেইড ভোট ক্যাম্পেইন হয়। বাংলাদেশ থেকেও এমন উদ্যোগ দেখা যেতে পারে বলে ধারণা করছেন আয়োজকেরা।
তানজিয়া জামান মিথিলা ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘এটা শুধু আমার প্রতিযোগিতা নয়, বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা। আপনাদের একটা ভোট আমার জন্য অনেক বড় শক্তি।’
বাংলাদেশের সৌন্দর্য, সম্ভাবনা আর গল্প যেন মিস ইউনিভার্সের মঞ্চে আরও জোরালো হয়ে ওঠে, এটাই এখন সবার প্রত্যাশা। আর সেই যাত্রায় আপনার একটি ভোটই হতে পারে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রথম ধাপ।