শীতে এই সময় বাজারে অনেক বেশি যে সবজি পাওয়া যায়, তা হলো ফুলকপি। এই ফুলকপি দিয়ে রান্না করতে পারেন মজার রেজালা। ফুলকপির এই রেজালা গরম গরম ভাত, রুটি বা পরোটার সাথে খেতে পারেন। এটি একটি সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্যকর পদ যা আপনার খাবারের মেনুতে বৈচিত্র্য আনবে। রইল সহজ রেসিপি।
উপকরণ: ফুলকপি ১টি মাঝারি আকারের (ছোট ছোট করে কাটা), পেঁয়াজ ২টি মাঝারি আকারের (কুচি করে কাটা), টমেটো ২টি মাঝারি আকারের (কিউব করে কাটা), আদা বাটা ১ চা-চামচ, রসুন বাটা ১ চা-চামচ, দই ১/২ কাপ, লাল মরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ (স্বাদ অনুযায়ী), হলুদের গুঁড়া ১/২ চা-চামচ, ধনিয়া গুঁড়া ১ চা-চামচ, গরম মসলা গুঁড়া ১/২ চা-চামচ, তেজপাতা ১টি, লবঙ্গ ২-৩টি, দারুচিনি ১ টুকরা, এলাচ ২টি, তেল ২-৩ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, কাঁচা মরিচ ২-৩টি (স্লাইস করে কাটা) এবং ধনে পাতা সাজানোর জন্য (কুচি করে কাটা)।
প্রণালী: ফুলকপি ভালোভাবে ধুয়ে নিন। একটি ফ্রাইংপ্যানে তেল দিয়ে, তাতে ফুলকপিগুলো ছেড়ে দিন। সামান্য লবণ দিয়ে ভেজে নিতে হবে। তারপর একটি পাত্রে তুলে রাখুন। আর একটি কড়াইয়ে তেল গরম করুন। তাতে তেজপাতা, লবঙ্গ, দারুচিনি এবং এলাচ দিন। মসলার সুগন্ধ বের হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। কুচি করা পেঁয়াজ দিন এবং সোনালি বাদামি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। এবার তাতে যোগ করুন আদা ও রসুন বাটা। ১-২ মিনিট ভাজুন।
এবার একে একে হলুদের গুঁড়া, লাল মরিচ গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া এবং গরম মসলা গুঁড়া দিন। ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। কিউব করে রাখা টমেটোগুলো দিয়ে দিন। এবার নরম হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। টমেটো পুরোপুরি গলে গেলে তেল আলাদা হয়ে যাবে। তারপর যোগ করুন দই। ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ফুটতে দিন। আগে থেকে ব্লাঞ্চ করে রাখা ফুলকপিগুলো দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। কাঁচা মরিচ স্লাইস দিন। এবার ঢাকনা দিয়ে ১০-১২ মিনিট মাঝারি আঁচে রান্না করুন। ফুলকপি নরম হয়ে গেলে নামিয়ে নিন। ধনিয়া পাতা দিয়ে সাজিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।