বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানোর সুপারিশ করেছে আইন মন্ত্রণালয়। তবে চিকিৎসার জন্য তাঁর বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। আজ বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি।
এ নিয়ে অষ্টমবারের মতো খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ল। আইনমন্ত্রী জানান, বিদেশ না যাওয়া ও বাসায় থেকে চিকিৎসা নেওয়ার দুই শর্তে সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে।
এর আগে বিএনপি চেয়ারপারসনকে বিদেশ নিতে আবেদন করেন তার ভাই শামীম ইস্কান্দার। পরে আবেদনের চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছে দেন খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব এ বি এম সাত্তার।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২৫ মার্চ সরকার ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) ৪০১ (১) ধারা অনুযায়ী কারাদণ্ড স্থগিত করে বিএনপি চেয়ারপারসনকে মুক্তি দেয়। এরপর দফায় দফায় তাঁর কারাদণ্ড স্থগিত রাখার মেয়াদ বাড়ায় সরকার।
ঢাকার একটি বিশেষ আদালতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার পর ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যান খালেদা জিয়া। হাইকোর্ট এই মামলায় পরের বছর ২০২১ সালের ৩০ অক্টোবর তাঁর আপিল খারিজ করে দেওয়ার পর তাঁর শাস্তি বাড়িয়ে ১০ বছর করে দেন।
এর আগে, ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ঢাকার আরেকটি বিশেষ আদালত খালেদা জিয়াকে দোষী সাব্যস্ত করে। তখন তাঁকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দেওয়া হয়।