উপজেলা নির্বাচন

এমপি–মন্ত্রীদের প্রভাব রুখতে স্পিকারকে ইসির চিঠি 

আসন্ন ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের (এমপি) প্রভাব ও হস্তক্ষেপ বন্ধে জাতীয় সংসদের স্পিকারকে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর। 

মো. আলমগীর জানান, মন্ত্রী কিংবা রাজনৈতিক দলের এমপি যেই হোক না কেন, প্রভাব খাটালে তা আমলে না নিতে মাঠ কর্মকর্তাদেরও সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এবার ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে ৪৭৬টিতে চার ধাপে ভোটগ্রহণ করছে নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৮ মে প্রথম ধাপে ১৪৬ উপজেলায় ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

এবারের উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয়ভাবে প্রার্থী দেয়নি। তবে কোনো কোনো উপজেলায় ভোটে দাঁড়িয়েছেন মন্ত্রী ও এমপিদের স্বজনরা। এতে প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কা থেকেই যায়।

নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর জানিয়েছেন, কমিশন সংসদ সচিবালয়ে একটি চিঠি দিয়ে আসন্ন ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মন্ত্রী-এমপিদের অবৈধ প্রভাব বিস্তার না করতে বলেছে।

মো. আলমগীর বলেন, ‘মাননীয় মন্ত্রী এবং সংসদ সদস্যদের অনেক আত্মীয় স্বজন প্রার্থী হিসেবে আছে বলে জানা যাচ্ছে। অতএব যাতে তাঁরা কোনো প্রভাব বিস্তার করতে না পারেন, কমিশন এ বিষয়টি তাদের (সংসদ) নজরে এনেছে।’ 

ভোটের পরিস্থিতি নিয়ে মো. আলমগীর বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ ভালো আছে। কোনো প্রার্থী যদি আচরণবিধি না মানেন বা অবৈধ প্রভাব বিস্তার করেন, তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মো. আলমগীর বলেন, ‘উপজেলা নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হবে বলে আমরা আশা করি এ জন্য যে, জাতীয় নির্বাচনের সময় ৩০০ আসনে আমাদের এক সাথে নির্বাচন করতে হয়েছে। কিন্তু এটা আমরা ধাপে ধাপে করছি। ফলে, নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের সংখ্যা অনেক বেশি থাকবে। এজন্য আমরা আশা করি, এই নির্বাচনটা আরও সুষ্ঠু হবে।’ 

প্রিসাইডিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ আসে তাহলে প্রমাণ ছাড়াই নিয়োগ বাতিল করা হবে বলে জানান ইসি মো. আলমগীর।