প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে বাণিজ্য ও প্রযুক্তি সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মাধ্যমে বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও প্রযুক্তি সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে। ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, শুধু অবকাঠামো প্রকল্প নয়, উৎপাদনশীল খাতে চীনের বিনিয়োগ আকৃষ্ট করায় জোর দিতে হবে সরকারকে।  

বাংলাদেশ ও চীন সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি এখন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ। দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি যেমন বেড়েছে, বাস্তবায়িত হয়েছে একাধিক বড় প্রকল্পও। এমন বাস্তবতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরকে ঘিরে নতুন করে বাড়ছে প্রত্যাশা। 

বৃহত্তর অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব তৈরি, বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোই এ সফরের লক্ষ্য। সফরে ১৭টি দলিল সই হবে। পাশাপাশি চীনের কাছে ৩ বিলিয়ন ডলারের উন্নয়ন সহযগিতাও প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ।

র‍্যাপিড চেয়ারম্যান ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য তিন গুণ বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু এর প্রায় সবই কেবল আমদানি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে চীন থেকে ১৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে বাংলাদেশ। বিপরীতে রপ্তানি হয়েছে মাত্র ৬৭ কোটি ২৬ লাখ ডলারের পণ্য। চীনে শুল্কমুক্ত সুবিধা থাকলেও তা নিতে পারছে না বাংলাদেশ।’

বাংলাদেশ চায়না চেম্বার সভাপতি মো. খোরশেদ আলম বলেন, ‘নতুন বিনিয়োগ এবং চীনে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়ানো গেলে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।’

চীন বাংলাদেশের সহযোগিতা কেবল আমদানি নির্ভর নয়, বরং উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে বলে আশা বিশ্লেষকদের।