জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এই দিনে গণগ্রেপ্তার, গুম ও হত্যার প্রতিবাদে সারা দেশে ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ নামে প্রতিবাদ করে ছাত্র-জনতা। শিক্ষার্থীদের পদযাত্রা ও বিক্ষোভে যোগ দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও। বেশ কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ। এদিকে, চাপের মুখে ১৩ দিন বন্ধ রাখার পর ফেসবুকসহ সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম আবার খুলে দিতে বাধ্য হয় তৎকালীন সরকার।
৩১ জুলাই, ২০২৪ সালের এই দিনে শিক্ষার্থীদের ৯টি সুনির্দিষ্ট দাবির পক্ষে দেশব্যাপী আদালত প্রাঙ্গণ, ক্যাম্পাস ও রাস্তায় বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ পালন করেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। বিভিন্ন জায়গায় লাঠিপেটা, সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।
গণহারে আটক করা হয় শিক্ষার্থীদের। তবে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে দেখা যায়, ঢাকায় গ্রেপ্তারদের ৮৭ ভাগের রাজনৈতিক কোনো পরিচয় নেই।
মার্চ ফর জাস্টিস কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুপুর ১২টা থেকে হাইকোর্টের মাজার গেট এলাকায় জড়ো হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। ১৩ দিন বন্ধ রাখার পর বিকেল ৩টায় ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক, ফেসবুকসহ সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম খুলে দিতে বাধ্য হয় তৎকালীন আওয়ামী সরকার।
আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ককে আটকে রাখে ডিবি অফিস। শিক্ষার্থীদের দেওয়া আল্টিমেটামের মুখে ডিবি থেকে সরানো হয় আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা হারুন অর রশীদকে। পার্টি অফিসে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের তোপের মুখে পড়েন ওবায়দুল কাদের।
মার্চ ফর জাস্টিসের পর নতুন কর্মসূচি ঘোষণা আসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একাংশের পক্ষ থেকে। এ কর্মসূচির নাম দেওয়া হয় ‘রিমেম্বারিং আওয়ার হিরোস’।
পাশাপাশি, বাংলাদেশের চলমান পরিস্থিতির আলোকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের সঙ্গে একটি অংশীদারত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি নিয়ে আলোচনা স্থগিত করে।