জুলাই অভ্যুত্থানের এই দিনে

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দেওয়া হয় সমাবেশের ঘোষণা, গণভবনে বসে জরুরি বৈঠক

চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের টার্নিং পয়েন্ট ছিল ২ আগস্ট। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ করার ঘোষণা দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কেরা। আন্দোলনে একাত্মতা জানায় সর্বস্তরের মানুষ। তীব্র আন্দোলন ঠেকাতে মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দেয় আওয়ামী লীগ সরকার। কৌশল নির্ধারণে গণভবনে জরুরি বৈঠকে বসেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী।

২ আগস্ট ২০২৪। যা জনপ্রিয়তা পায় ৩৩ জুলাই নামে। এদিন সকাল থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বের হয় গণমিছিল। আন্দোলনকারীদের সাথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। 

এর মধ্যেই ছয় সমন্বয়ক এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেন, ডিবি হেফাজতে চাপ দিয়ে কর্মসূচি প্রত্যাহারের ভিডিও ধারণ করা হয়েছে।

নয় দফা দাবিতে ৩ আগস্ট দেশব্যাপী বিক্ষোভ মিছিল এবং ৪ আগস্ট থেকে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন সমন্বয়করা। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশের ঘোষণাও দেওয়া হয়।

রাজধানীতে দ্রোহ যাত্রায় যোগ দেন শিক্ষক, অভিভাবক, সংস্কৃতিকর্মী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও রাজনীতিবিদরা। দাবি ওঠে, হত্যাকাণ্ডের বিচার, গ্রেপ্তার হওয়াদের মুক্তি, কারফিউ প্রত্যাহার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার।

আবারও বন্ধ করে দেওয়া হয় মোবাইল নেটওয়ার্ক। ফেসবুক ও টেলিগ্রাম সেবাও বন্ধ করে দেওয়া হয়। 

সেদিন রাতেই গণভবনে ১৪ দলের নেতাদের নিয়ে জরুরি সভা করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠকে সমন্বয়কদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।