চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে এই ক্লু পাওয়া যায়।
আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আজ রোববার সকালে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য দেন তিনি।
এ সময় চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সাগর-রুনি মামলার বিচার বিচারিক আদালতেই হবে। তবে তথ্য-উপাত্ত দিয়ে সহযোগিতা করবে প্রসিকিউশন।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি নৃশংসভাবে খুন হন।
এদিকে গুমের বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, যেসব গুমের ঘটনা মানবতাবিরোধী অপরাধের আইনের আওতায় পড়বে সেগুলোর বিচার হবে ট্রাইব্যুনালে। এছাড়া স্বতন্ত্র গুমের ঘটনার বিচার সংশ্লিষ্ট আদালতেই হবে।