কোনো চাপ, টার্গেট বা পক্ষপাতিত্ব নয়, নিয়ম মেনেই সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক। দুদকে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানিয়েছেন দুদক সচিব সাইদুর রহমান খান।
এসময় অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী রুহুল হক ও চট্টগ্রাম সিটির সাবেক মেয়র নাছির উদ্দীনের বিরুদ্ধে মামলার কথাও জানান দুদক সচিব।
সপ্তাহ দুয়েকের ব্যবধানে রোববার সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারসহ কোটি টাকার পদায়ন-বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। আসিফের অভিযোগ, সরকারের ইচ্ছায় ব্যবহৃত হচ্ছে দুদক।
আসিফকে টার্গেট করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে সংবাদ সম্মেলনে দুদক সচিব সাইদুর রহমান খান জানান, কোনো টার্গেট বা পক্ষপাতিত্বের সুযোগ দুদকের নেই।
সাইদুর রহমান খান বলেন, ‘দুর্নীতি দমন কমিশন পাঁচ মাসের বেশি ছিল না। যেগুলো আমাদের পেন্ডিং রয়েছে, সেগুলো নিয়ে কাজ চলছে। পাইপলাইনে আরও আছে। সময়মতো সবগুলো আপনাদের সামনে উপস্থাপিত হবে।’
এদিকে, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক ও তার ছেলের বিরুদ্ধে ২৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ এবং প্রায় দেড়শ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে মামলা করেছে দুদক। আর ১৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা হয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে দুদক সচিব সাইদুর রহমান খান বলেন, ‘দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৭ এর ১ ধারা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ৪ এর ২ ও ৪ এর ৩ ধারায় কমিশন এজাহার দায়ের করার অনুমতি প্রদান করেছে। অর্থাৎ মোট দুটি মামলার অনুমোদন প্রদান করেছে।’
সোমবার নকশা অনুমোদনে জালিয়াতি ও যথাযথভাবে ইমারত পরিদর্শন না করার অভিযোগে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-রাজউকে অভিযান চালায় দুদক।