বাবা-মায়ের পর ছেলের ভাষণ। চার দশকের ব্যবধানে একই বিশ্বমঞ্চে জিয়া পরিবারের তিন সদস্য। যা ইতিহাসে যোগ করছে নতুন অধ্যায়।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আজ বৃহস্পতিবার প্রথমবার ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ ভাষণের মধ্য দিয়ে জিয়া পরিবারের আন্তর্জাতিক উপস্থিতিরও ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা তৈরি হতে যাচ্ছে।
তিনটি সময়, এক মঞ্চ। নিউইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দপ্তরে লেখা হতে যাচ্ছে জিয়া পরিবারের নতুন এক অধ্যায়। ৪৬ বছর আগে এই মঞ্চেই প্রথমবার বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ১১তম বিশেষ অধিবেশনে তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে ধনী-দরিদ্র দেশের বৈষম্য, দারিদ্র্য, ক্ষুধা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা।
এর ১৩ বছর পর, ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪৮তম অধিবেশনে ভাষণ দেন তাঁর সহধর্মিনী, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ১৯৯৩ থেকে ২০০৫ সাল, এখানে মোট পাঁচবার বক্তব্য দেন তিনি। গণতন্ত্র, উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও ছোট রাষ্ট্রগুলোর অধিকারে গুরুত্ব ছিল তাঁর বক্তব্যে।
বাবা-মায়ের পথ ধরে একই বিশ্বমঞ্চে উঠছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে তাঁর প্রথম ভাষণের মধ্য দিয়ে ঘটতে যাচ্ছে জিয়া পরিবারের তৃতীয় নেতৃত্বের আন্তর্জাতিক উপস্থিতি।
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তার পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট গুরুত্ব পাচ্ছে তারেক রহমানের ভাষণে।
বাবা-মা, এরপর ছেলে। জাতিসংঘের একই মঞ্চে যুক্ত হচ্ছে জিয়া পরিবারের তিন অধ্যায়ের ৩টি সময়। ২৪ সেপ্টেম্বর তাই শুধু একটি ভাষণের দিন নয়; জিয়া পরিবারের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি ধারাবাহিকতারও নতুন অধ্যায়।