রাশেদ খানের বিপরীতে নির্বাচনের ঘোষণা বিএনপির সাবেক প্রার্থীর

ধানের শীষ প্রতীক পেতে গণঅধিকার পরিষদ থেকে পদত্যাগ করে ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন আলোচিত রাজনীতিবিদ রাশেদ খান। তাঁর এই অবস্থানকে ‘নির্বাচনী কৌশল’ বলছে গণঅধিকার পরিষদ। তবে মাঠে অনড় রয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। তাঁর দাবি, জনগণ তাঁর পাশে আছে এবং ঝিনাইদহ-৪ আসনের ভোটাররা তাঁকেই সংসদে দেখতে চান।

২০১৮ সালের নির্বাচনে সাইফুল ইসলাম ফিরোজ এই আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি এবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন। বর্তমানে স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে থাকা ফিরোজ বলেন, ‘জনগণের সাথে কথা বলে তাঁদের দাবি অনুযায়ী আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি—আগামী নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।’

ঝিনাইদহের বিএনপি নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা অন্য দলের কাউকে তাঁদের প্রতীকে মেনে নেবে না বলেও দাবি করছেন তিনি।

এদিকে রাশেদ খান গণঅধিকার পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন নাকি তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তা নিয়ে জনমনে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তবে গণঅধিকার পরিষদ জানিয়েছে, রাশেদের পদত্যাগ শুধুই ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনের মাঠে থাকার কৌশল মাত্র।

রাশেদ খান জানান, রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্কের কারণেই তিনি ধানের শীষ পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে আমি নিজের আদর্শ মনে করি। বর্তমানে বিএনপির নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারেক রহমান। তিনি আমাকে অত্যন্ত স্নেহ করেন ও ভালোবাসেন।’

গণঅধিকার পরিষদের নেতারাও বলছেন, ধানের শীষে নির্বাচন করার জন্যই তিনি পদত্যাগ করেছেন। দলটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন বলেন, ‘সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান নির্বাচনের কৌশল হিসেবে গণঅধিকার পরিষদ থেকে পদত্যাগ করে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ নিয়েছেন। তিনি ঝিনাইদহ–৪ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন।’