ভোটের মাঠে যে হাওয়া বইছে, তাতে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন বলে মনে করছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার রাতে নির্বাচনী প্রচারণার শেষ সময়ে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের চৌরঙ্গী বাজারে পথসভায় তিনি মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ভোটের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচন করা হবে পার্লামেন্টের জন্য। এই পার্লামেন্টের কাজ আইন তৈরি করবে দেশের জন্য। আগামী পাঁচ বছর দেশ কীভাবে চলবে সেই সিদ্ধান্ত সেখানে হবে। প্রতিনিধিদের মধ্যে যারা মেজরিটি হবে তারা সরকার গঠন করবে।
তিনি বলেন, কোথায় উন্নয়ন করতে হবে এই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। সেই সরকার যদি অনুকূলে না হয় তাহলে কাজ করতে পারবে না। উন্নয়নের জন্য সরকার পক্ষের হতে হবে। বাংলাদেশে যে হাওয়া আমরা পাচ্ছি, তাতে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন, ইনশাআল্লাহ।
এ সময় ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াত ইসলামী কোথায় ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিএনপি মহাসচিব। বলেন, এখন নৌকা নেই আছে দাঁড়িপাল্লা। রাজনৈতিক দল থাকতে পারে অসুবিধা নেই। জামায়াতের আমির সাহেব ডা. শফিকুর রহমান অনেক কথা বলছেন, কিন্তু আমার একটাই প্রশ্ন ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধে করে ত্রিশ লাখ মানুষ শহীদ হয়, দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম নষ্ট হয়, তখন আপনারা কোথায় ছিলেন, তখন আপনাদের ভূমিকা কি ছিল?
জামায়াতের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, তখন আপনরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহায়তা করেছেন, মা-বোনদের ক্ষতি করেছেন। আপনারা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেননি। সুতরাং সেই দলের হাতে আমরা রাষ্ট্রের দায়িত্ব দিতে পারি না। তাদের সরকার হতে দিতে পারি না। এ জন্য ভোট ধানের শীষে দিতে হবে, দেশকে বাঁচাতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক কর কমিশনার আসাদুজ্জামান, আমেরিকা প্রবাসী রফিকুল ইসলাম, আফরোজা লাকী, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি দবিরুল ইসলাম, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বাদলসহ নেতা–কর্মীরা।