মানবতাবিরোধী অপরাধ: হানিফ-ইনুর মামলার রায় শিগগিরই

আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুবুল আলম হানিফ ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণা হতে পারে এ মাসেই। ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, কুষ্টিয়ায় ৬ জনকে হত্যা, ১৪ দলের বৈঠকে কারফিউয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে। যথাযথ শাস্তির আশায় রাষ্ট্রপক্ষ। 

জুলাই অভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট কুষ্টিয়ায় ৬ জনকে গুলি করে হত্যাসহ ৩টি অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের মাহবুব-উল আলম হানিফসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয় বুধবার। এরপরই রায়ের জন্য অপেক্ষায় রেখেছে ট্রাইব্যুনাল-দুই। 

হানিফ ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন—কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী এবং শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। চারজনই পলাতক। গত বছরের ২ নভেম্বর অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচার শুরু হয়। 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘কুষ্টিয়ায় ৬ জনকে হত্যা, ১৪ দলের বৈঠকে কারফিউয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে। আশা করি তাদের যথাযথ শাস্তি হবে।’

এদিকে, একই ট্রাইব্যুনালে আরেক মামলায় কুষ্টিয়ার ৬ জনকে হত্যার নির্দেশ, ১৪ দলের বৈঠকে কারফিউয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে আন্দোলনকারীদের গুলি করে হত্যা, শেখ হাসিনার সাথে ফোনালাপে জঙ্গি কার্ড খেলার পরামর্শ দেয়াসহ ৮টি অভিযোগে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিচার শেষ হয় ১৪ মে। 

ইনুর আইনজীবী সিফাত মাহমুদ বলেন, ‘শেখ হাসিনার সাথে ফোনালাপ ও বৈঠকে উপস্থিত থাকলেও তারা হত্যায় কোনো উস্কানি দেননি। কোনো অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি রাষ্ট্রপক্ষ।’

ট্রাইব্যুনাল আইন অনুযায়ী বিরতিহীনভাবে বিচার চলায় দ্রুত বিচার শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন।