কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সর্বোচ্চ সতর্কতায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সতর্কতার অংশ হিসেবে রাজধানীতে মোতায়েন থাকবে ১৮ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য। কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা না থাকলেও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, বলছে ডিএমপি। 

তবে, রাজনৈতিক দলকে রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করার আহ্বান বিশ্লেষকদের। 

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২৩ জুন। এ উপলক্ষে ১৮ জুন সারাদেশে সতর্কতা জারি করে পুলিশ সদর দপ্তর। তবে, রোববার গাজীপুরে ঝটিকা মিছিল থেকে প্রকাশ্যে পুলিশকে হুমকি দেয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকেরা। 

টানা কয়েকদিন ধরেই বিভিন্ন জায়গায় ঝটিকা মিছিল করেছে দলটির কর্মী সমর্থকেরা। গ্রেপ্তারও হয়েছেন বেশ কয়েকজন। ঢাকা মহানগর পুলিশ বলছে, ২৩ জুন ঘিরে রাজধানীতে ১৮ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। থাকবে চেকপোস্ট ও ব্লকরেইড। কোনো শঙ্কা না থাকলেও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় ডিএমপি। 

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের নিয়মিত যে চেকপোস্ট থাকে, তার অতিরিক্ত কিছু চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। আমাদের ব্লক রেইড চলছে। বিভিন্ন দুষ্কৃতীকারী, যারা আগে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়েছিল বা যারা করতে পারে, যারা অর্গানাইজার–পেট্রোনাইজার তাদের প্রতি আমাদের নজরদারি আছে।’ 

অপরাধ বিশ্লেষকরা বলেছেন, কেউ যেন জনগণের জানমালের ক্ষতি করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে। একইসাথে কেউ যাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করতে না পারে সেদিকেও নজর দেয়ার আহ্বান বিশ্লেষকদের। 

সমাজ ও অপরাধ বিশ্লেষক ড. তৌহিদুল হক বলেন, ‘সোর্সগুলোকে কাজে লাগিয়ে কারা একত্রিত হচ্ছে, কোথায় একত্রিত হচ্ছে এদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার চেষ্টা করা। পাশাপাশি এই বিষয়টি আমরা বারবার বলছি– রাজনৈতিক বিষয়গুলো যদি রাজনৈতিকভাবে সমাধান না হয়, এর চাপটা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপরে পড়ে।’ 

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এটি আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।