ছয় মাসে তেমন কোনো সাফল্য দেখাতে পারেনি বিএনপি সরকার। এমন মন্তব্য করেছেন বিরোধী জোটের নেতারা। বিশেষ করে জ্বালানি, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বড় ঘাটতি দেখছেন তারা। এক্ষেত্রে সরকারের অব্যবস্থাপনা ও দলীয়করণকে দুষছে বিরোধী দল। তবে এই সময়ে বাকস্বাধীনতা ফিরেছে বলে মত নেতাদের।
ছয় মাস পূর্ণ করেছে বিএনপি সরকার। চেষ্টা ছিল দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার।
নানা সংকটের জন্য সরকারের অব্যবস্থাপনা, দলীয়করণ, দুর্নীতি ও অদ্ক্ষতাকে দুষছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা।
এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো যেমন জ্বালানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ওষুধ প্রত্যেকটা জায়গাতে সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। বিদ্যুৎ–জ্বালানির দাম বাড়ানো হলো কয়েক দফা, তাতেও সমস্যার সমাধান হচ্ছে না।
আর জামায়াতে ইসলামী অভিযোগ, দায়িত্ব নিয়েই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে বিএনপি সরকার। মন্তব্য করেন, রাষ্ট্রের সংস্কার উপেক্ষা করে কেবল রুটিন কাজ করে যাচ্ছে তারা।
জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকারের যে প্রতিশ্রুতি জুলাই সনদ নিয়ে, সেটা হলো না। এ কারণে সর্বত্র সরকারের ব্যর্থতা দেখছি। সংসদে সরকারের জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা উচিত। ভালো কাজে আমরা বিরোধী দল সহায়তা করব, মন্দ কাজের বিরোধিতা করব।
১১ দলীয় জোটের এক নেতা বললেন, এই সরকারের সময়ে বন্ধ হয়েছে গুম, খুন ও বিরোধীমতের দমন পীড়ন।
এবি পার্টি সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, বিরোধী দলকে কথা বলার সুযোগ দেওয়া, হামলা–মামলা–খুন হচ্ছে না। মন খুলে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এই রাজনৈতিক চর্চা যেন থাকে।
তবে দেশে স্থিতিশীলতা আনতে না পারলে আগামীতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন বিরোধী নেতারা।