প্রচলিত ই-মেইল সার্ভিসগুলোর মধ্যে নিঃসন্দেহে সবচেয়ে জনপ্রিয় জিমেইল। জিমেইলের নানা ফিচার আমরা প্রতিদিনই ব্যবহার করে থাকি। ব্যবহারকারীদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন সময় নতুন অনেক ফিচার যুক্ত করা হয়েছে জিমেইলে। আবার নতুন প্রযুক্তির আবির্ভাবেও এসেছে এমন অনেক ফিচার যেগুলো একসময় হয়তো আমাদের কল্পনারও অতীত ছিলো।
জিমেইলের বেশ কার্যকর একটি ফিচার হচ্ছে মেইল শিডিউল করে রাখার সুবিধা। মেইল শিডিউল করা সম্পর্কিত কয়েকটি বিষয় নিয়ে চলুক আজকের এই পোস্টে আলোচনা হয়ে যাক:
পূর্বনির্ধারিত সময়ে মেইল প্রেরণ (শিডিউল সেন্ড)
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেমন একটি পোস্ট নির্দিষ্ট সময়ে ‘শিডিউল’ করে রাখা যায় তেমনি জিমেইলেও পূর্বনির্ধারিত সময়ে মেইল প্রেরণের জন্য ‘শিডিউল সেন্ড’ ফিচারটি ব্যবহার করা যায়। অর্থাৎ একটি মেসেজ বা মেইল আপনি কখন পাঠাতে চাইছেন সেটা আগে থেকেই ঠিক করে দিতে পারেন।
মেইল ‘শিডিউল’ করার জন্য জিমেইল অ্যাকাউন্টে লগইন করার পর প্রথমে আপনাকে ‘কম্পোজ’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। এবার ‘নিউ মেসেজ’ উইন্ডোতে প্রাপকের ই-মেইল অ্যাড্রেস, মেইলের সাবজেক্ট, বডি লিখে নিচে বাম দিকে ‘সেন্ড’ বাটনের ঠিক পাশে ‘ডাউন অ্যারো’ চিহ্নটিতে ক্লিক করলেই পেয়ে যাবেন ‘শিডিউল সেন্ড’ অপশনটি। এবার তাতে ক্লিক করলে ৩টি ‘ডিফল্ট’ টাইমিং অপশন দেখাবে। এগুলো কোনোটিই পছন্দ না হলে তার নিচে ‘পিক ডেট এন্ড টাইম’ অপশনটিতে ক্লিক করে আপনার পছন্দ অনুযায়ী তারিখ ও সময় নির্ধারণ করে নিচে ‘শিডিউল সেন্ড’ বাটনটিতে ক্লিক করে দিলেই নির্দিষ্ট সময়ে মেইলটি ঠিক পৌঁছে যাবে প্রাপকের কাছে।
‘শিডিউল’ করে রাখা মেইল দেখা, পরিবর্তন করা ও বাতিল করার উপায়
‘শিডিউল’ করে রাখা মেইলে কোন প্রকার পরিবর্তন করা বা বাতিল করার জন্য জিমেইলের বাম দিকের প্যানেল থেকে ‘শিডিউলড’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। এবার নির্দিষ্ট মেইলটি ওপেন করে উপরে ডান দিকে ‘ক্যানসেল সেন্ড’ বাটনটিতে ক্লিক করে দিলেই মেইলটি আর পূর্বনির্ধারিত সময়ে প্রাপকের কাছে পৌঁছবে না। শিডিউল বাতিল করার পর মেইলটি ড্রাফট হিসেবে জমা থাকবে।
এবার আপনি চাইলে মেইলটিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করে সাথে সাথেই সেন্ড করে দিতে পারেন। আবার চাইলে নতুন করে শিডিউলও করতে পারেন ঠিক যেভাবে এর আগে করেছেন।