দেশের রাস্তায় এক হাজারের বেশি নিউ এনার্জি ভেহিকেল (এনইভি) চলার মাইলফলক অর্জন করেছে বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি। এ উপলক্ষে রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে ‘ড্রিভেন বাই ১০০০’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে প্রতিষ্ঠানটি।
গত ১২ জুলাই আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিওয়াইডির কর্মকর্তা, গ্রাহক, ডিলার পার্টনার, খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, ইনফ্লুয়েন্সার ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বাংলাদেশের টেকসই ও পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থায় অবদান রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রতিষ্ঠানটি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিওয়াইডি এশিয়া-প্যাসিফিক অটো সেলস ডিভিশনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার কেৎসু ঝ্যাং। প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বিওয়াইডি বাংলাদেশের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিওয়াইডি বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আমিদ সাকিফ খান, কান্ট্রি ম্যানেজার চার্লস রেন এবং চিফ মার্কেটিং অফিসার ইমতিয়াজ নওশের।
২০২৪ সালের ৩ মার্চ ফ্ল্যাগশিপ ইলেকট্রিক সেডান ‘বিওয়াইডি সিল’ বাজারে আনার মাধ্যমে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে বিওয়াইডি। এরপর একাধিক এনইভি মডেল নিয়ে দেশের বাজারে কার্যক্রম সম্প্রসারণ করে প্রতিষ্ঠানটি।
বিওয়াইডি জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে তারা। বাংলাদেশেও আধুনিক ও টেকসই মোবিলিটি সুবিধা পৌঁছে দিতে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।
১ হাজার এনইভি বিক্রির অর্জনকে গ্রাহকদের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিওয়াইডি বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আমিদ সাকিফ খান।
তিনি বলেন, ‘১ হাজার এনইভি বিক্রির মাইলফলক বিওয়াইডি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত। বাংলাদেশের প্রথম অফিসিয়াল এনইভি ব্র্যান্ড হিসেবে বিশ্বমানের পণ্য ও প্রযুক্তির মাধ্যমে টেকসই মোবিলিটিকে সহজলভ্য করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
বিওয়াইডি বাংলাদেশের চিফ মার্কেটিং অফিসার ইমতিয়াজ নওশের বলেন, ‘দেশে ইভি খাতের প্রতিষ্ঠা ও সম্প্রসারণে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। এক হাজার এনইভি বিক্রির মাইলফলক বাংলাদেশের টেকসই মোবিলিটির অগ্রগতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।’
তিনি আরও বলেন, ‘উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং গ্রাহকদের উন্নত অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন ও স্মার্ট পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করবে বিওয়াইডি।’
দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার ধীরে ধীরে বাড়ছে। জ্বালানি সাশ্রয়, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও আধুনিক সুবিধার কারণে গ্রাহকদের মধ্যে বাড়ছে ইভির চাহিদা। বিওয়াইডির এই অর্জন দেশের বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজার সম্প্রসারণের একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।



