ভার্চুয়াল ও অগমেন্টেড রিয়েলিটি প্রযুক্তিতে মেটার বিনিয়োগ এ বছরই ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এখন পর্যন্ত ভিআর ও এআর প্রযুক্তিখাতে মেটা ৮০ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে, যার মধ্যে গত বছরই তাঁদের বিনিয়োগ ছিল ১৯.৯ বিলিয়ন ডলার। চলতি বছর এই খাতে বিনিয়োগের পরিমাণটা আরও বাড়তে পারে বলেই জানিয়েছে মেটা। ফলে ১০০ বিলিয়ন ডলারের সীমানা ২০২৫ সালেই অতিক্রম করতে পারে মেটা। বাংলাদেশী মুদ্রায় বিনিয়োগের অংটা ১২ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকারও বেশি।
মেটার প্রধান মার্ক জাকারবার্গ ইতোমধ্যেই ঘোষণা করেছেন যে ২০২৫ সালটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক বছর হতে যাচ্ছে মেটার তৈরি স্মার্ট গ্লাসের জন্য। উল্লেখ্য, মেটার ভিআর এবং এআর প্রোডাক্ট তৈরির ইউনিট বা ডিভিশনের নাম হচ্ছে রিয়েলিটি ল্যাবস- যারা কোয়েস্ট ভিআর হেডসেট ও রে-ব্যান স্মার্ট গ্লাস তৈরি করে থাকে।
গত বছর মেটা তাঁদের অগমেন্টেড রিয়েলিটি প্রযুক্তির স্মার্ট গ্লাস ওরিয়নের একটি প্রোটোটাইপ নিয়ে আসে। ওরিয়নকে ঘিরে মেটা এবং জাকারবার্গ এতোটাই উচ্ছ্বসিত যে, জাকারবার্গ ঘোষণাই করে দিয়েছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে স্মার্টফোনের জায়গা নিতে চলেছে স্মার্ট গ্লাস। গত বছর মেটা তাঁদের রে-ব্যান গ্লাসের ১ মিলিয়ন ইউনিট বিক্রি করতে সমর্থ হয়। যদিও এতে বিনিয়োগকৃত অর্থের সামান্যই উঠে এসেছে। তবে জাকারবার্গ রে-ব্যান গ্লাসকে ইতোমধ্যেই ‘রিয়েল হিট’ বলে দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ভিআর হেটসেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অকুলাস-কে অধিগ্রহণের মধ্য দিয়েই এআর ও ভিআর প্রযুক্তিতে মেটার বিনিয়োগ শুরু হয়। এরপর থেকে গত ১০ বছরে রিয়েলিটি ল্যাবস ডিভিশনের মাধ্যমে এই খাতে গবেষণা ও পণ্য তৈরিতে বিশাল অংকের অর্থ খরচ করেছে এই সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট।
তথ্যসূত্র: ফিন্যান্সিয়াল টাইমস